![]()
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী, দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাবপদ্ধতি অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারে।
রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ অক্টোবর দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ছিল ৩১ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে তিন দিনের ব্যবধানে নিজস্ব হিসাবের রিজার্ভ বেড়েছে ৬ কোটি ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ বেড়েছে ৬ কোটি ডলার।
এর আগে গত ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ৩১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার। ২৯ সেপ্টেম্বর এই দুই হিসাবপদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৩৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ও ৩১ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার।
তবে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রিজার্ভের পরিমাণ আরও বেশি ছিল। গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ৩১ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার। ৮ সেপ্টেম্বর নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ছিল ৩১ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার।
এদিকে, এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) জুলাই ও আগস্ট মাসের আমদানি বিল বাবদ ১ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর গত ৬ সেপ্টেম্বর রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ৩১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারে। ১ সেপ্টেম্বর রিজার্ভ ছিল যথাক্রমে ৩৭ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ও ৩২ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার।
সাম্প্রতিক হিসাবে রিজার্ভ বাড়লেও সেপ্টেম্বরের শুরুতে থাকা অবস্থানের তুলনায় তা এখনো কম। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেশের আমদানি ব্যয় মেটানো, আন্তর্জাতিক লেনদেনের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং অর্থনীতির বহিঃখাতের স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
