Touch Bangladesh
ঢাকাশনিবার , ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে দুই হাজতির মৃত্যু

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
অক্টোবর ২৪, ২০২৬ ৪:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

নিউজ প্রোভাইডার

ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (৫৯) ও মোহাম্মদ মেহেদী হাসান কাজী (১৮) নামে দুই হাজতির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) অসুস্থ অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাঁদের মধ্যে মেহেদী হাসান ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন।

কারারক্ষী হারুন শেখ জানান, শনিবার বেলা ৩টার দিকে কেন্দ্রীয় কারাগারে রফিকুল ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

রফিকুল ইসলাম কেন্দ্রীয় কারাগারের হাজতি ছিলেন। তিনি নোয়াখালীর কবিরহাট থানার নতুন বাড়ি এলাকার সাইদুর রহমানের ছেলে। তবে তিনি কোন মামলায় কারাবন্দি ছিলেন, সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি কারারক্ষী হারুন শেখ।

অন্যদিকে, কারারক্ষী মো. সাহাবুল ইসলাম জানান, মেহেদী হাসান কেন্দ্রীয় কারাগারে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে কারা হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগে পাঠানো হলে নিচতলায় হঠাৎ নিস্তেজ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাঁকে আবার জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মেহেদী হাসান কেন্দ্রীয় কারাগারের হাজতি ছিলেন। তার হাজতি নম্বর ১০৭১৮/২৬। তিনি কামরাঙ্গীরচর থানার নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় কারাবন্দি ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর থানার উত্তর কাজীপাড়া গ্রামে। তিনি মোহাম্মদ ফারুক কাজীর ছেলে।

কারারক্ষী সাহাবুল ইসলাম আরও জানান, মেহেদীর মৃত্যুর পর তার আত্মীয়স্বজন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এসে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ নেওয়ার দাবিতে কর্তব্যরত কারারক্ষী ও আনসার সদস্যদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছালে শাহবাগ থানা পুলিশ এসে তা নিয়ন্ত্রণ করে।

মেহেদী হাসানের ভাই সাঈদ কাজী জানান, তার ভাই এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। প্রায় সাত মাস আগে নারী ও শিশু নির্যাতনের একটি মামলায় তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। সাঈদের অভিযোগ, কামরাঙ্গীরচর এলাকায় তাঁর ভাইকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ধর্ষণ মামলায় আসামি করা হয়েছিল। পরে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে সরাসরি আদালতে নিয়ে যায় এবং সেখান থেকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সাঈদ কাজী আরও বলেন, কারাগারে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর তার ভাইকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। তারা ছয় ভাই ও এক বোন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান দুই হাজতির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তাদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে। এরপর মরদেহ দুটি তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।