Touch Bangladesh
ঢাকাবুধবার , ২২ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ভারতে ডেঙ্গুর নতুন টিকা ‘কিউডেঙ্গা’ অনুমোদন পেল

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
জুলাই ২২, ২০২৬ ৬:৪৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

নিউজ প্রোভাইডার 

ভারতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি যখন একটি বড় জনস্বাস্থ্য সংকট ও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, ঠিক তখনই স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে ডেঙ্গু প্রতিরোধক নতুন টিকা ‘কিউডেঙ্গা’। দীর্ঘ গবেষণা ও ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের সফল সমাপ্তির পর সম্প্রতি দেশটিতে এই টিকার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ভারতে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা

সরকারি তথ্য ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত দুই দশকে ভারতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ১১ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আরও আশঙ্কাজনক তথ্য হলো—বিশ্বব্যাপী মোট ডেঙ্গু রোগীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ভারতের। তবে একাধিক মডেলভিত্তিক গবেষণায় উঠে এসেছে যে, প্রকৃতপক্ষে ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি তথ্যের চেয়ে বহুগুণ বেশি। এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কিউডেঙ্গা টিকার অনুমোদন স্বাস্থ্য খাতে এক বিরাট বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পরীক্ষার ঝামেলামুক্ত সরাসরি প্রয়োগযোগ্য টিকা

টিকা প্রস্তুতকারী জাপানি ওষুধ কোম্পানি ‘তাকেদা’ জানিয়েছে, ‘কিউডেঙ্গা’ (Qdenga) টিকাটি গ্রহণে বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে:

  • পূর্ব পরীক্ষার প্রয়োজন নেই: এই টিকাটি নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পূর্বে কখনো ডেঙ্গু সংক্রমণ হয়েছিল কি না, তা জানার জন্য কোনো ধরনের প্রাক্‌-টিকাদান পরীক্ষা (Pre-vaccination screening) করার প্রয়োজন পড়বে না।

  • সবার জন্য কার্যকর: অতীতে কোনো ব্যক্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে থাকুন কিংবা না থাকুন, নির্দ্বিধায় এই টিকা গ্রহণ করতে পারবেন।

২৮ হাজার মানুষের ওপর ট্রায়ালের স্বীকৃতি

ভারতে কিউডেঙ্গার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে জাপানি ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি ‘তাকেদা’র ব্যাপক বৈশ্বিক ক্লিনিক্যাল উন্নয়ন কর্মসূচির তথ্যাদির ওপর ভিত্তি করে।

এই কর্মসূচির অধীনে ফেজ-১, ফেজ-২ এবং ফেজ-৩ ধাপে মোট ১৯টি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ডেঙ্গুপ্রবণ ও ডেঙ্গুমুক্ত বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ২৮ হাজারেরও বেশি মানুষ অংশ নেন। শুধুমাত্র ফেজ-৩ ধাপের ট্রায়ালটিতেই ডেঙ্গুপ্রবণ ৮টি দেশের ২০ হাজারেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবী অংশ নিয়েছিলেন, যেখানে টিকাটি ডেঙ্গু প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর ও নিরাপদ প্রমাণিত হয়েছে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।