Touch Bangladesh
ঢাকাশনিবার , ১৫ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প: প্রাণহানি অন্তত ৪৭, সুনামি আতঙ্ক

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
আগস্ট ১৫, ২০২৬ ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় ফ্লোরেস দ্বীপে শনিবার ভোরে এক শক্তিশালী ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৭ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (BNPB)। অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান দ্রুত এগিয়ে চলার সাথে সাথে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মূল তথ্যসমূহ:

  • ভূমিকম্পের বিবরণ: শনিবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টার কিছু আগে (২২:০০ জিএমটি, শুক্রবার) ১৫ কিলোমিটার গভীরে এটি আঘাত হানে। ভূ-পৃষ্ঠের কম গভীরে উৎপন্ন হওয়ায় এর ধ্বংসক্ষমতা ছিল অনেক বেশি।

  • ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ: ১৫০টিরও বেশি ঘরবাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, উপাসনালয় এবং সরকারি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

  • আহত ও হতাহত: ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ঘুমন্ত অবস্থাতেই অনেকের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে মাঙ্গারাই প্রদেশে, পূর্ব মাঙ্গারাইতে ১৭ জন এবং সিক্কায় ৩ জন নিহত হয়েছেন। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।

  • আফটারশক ও আতঙ্ক: মূল কম্পনের পর ৬.১ মাত্রার একটি শক্তিশালী আফটারশক সহ একাধিক কম্পন অনুভূত হয়। পরবর্তীতে পশ্চিম ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রাতেও একটি ৬.৪ মাত্রার পৃথক ভূমিকম্প হয়।

  • সুনামি সতর্কতা: ভূমিকম্পের পর সমুদ্রের পানি সরে গেলে উপকূলীয় এলাকায় তীব্র সুনামি আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ২,০০০ বাসিন্দা দ্রুত উঁচু পাহাড়ে ও নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর কোনো বড় ঢেউ না ওঠায় সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়।

মৌমে অঞ্চলের বন্দরে ফেরি টার্মিনালের কনক্রিট ভেঙে পড়ে ও গ্যাংওয়ে ধসে কয়েকজন যাত্রী সাগরে পড়ে যান। বর্তমানে উপদ্রুত দূরবর্তী ও পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে জরুরি ত্রাণ পাঠানো হচ্ছে। দুর্যোগ সংস্থা সবাইকে শান্ত থাকার এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ও উপকূলীয় এলাকা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। উল্লেখ্য, তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়শই ভয়াবহ ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির তৎপরতা দেখা যায়।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।