![]()
দাপ্তরিক নথিতে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহার না করার নির্দেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের
দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক বিশেষ পরিপত্রে এই পরিমার্জনের কথা নিশ্চিত করা হয়।
- 📜 সম্মানসূচক শব্দ বর্জন: নথিপত্র, সারসংক্ষেপ উপস্থাপন ও দাপ্তরিক চিঠি-পত্রে ‘মহামান্য’ এবং ‘মাননীয়’ লেখা বন্ধের নির্দেশনা।
- 🏛️ আওতাভুক্ত পদসমূহ: সরকারের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
- ⚡ অবিলম্ব কার্যকরের নির্দেশ: পরিপত্রে সিদ্ধান্তটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে এবং অনতিবিলম্বে এটি কার্যকর হবে।
- ✍️ উদ্দেশ্য: প্রশাসনিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজ, আধুনিক ও অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতা মুক্ত করা।
প্রশাসনিক নথিপত্রে আধুনিকায়নের উদ্যোগ
পরিপত্রে বলা হয়, সরকারের অভ্যন্তরে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথি লিখন এবং সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের সময় প্রথাগত অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতা এড়িয়ে চলার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, লিখিত নথিপত্রে বিশেষণ হিসেবে ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’ ব্যবহার না করে সরাসরি পদের নাম উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর করার নির্দেশনা
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত ওই পরিপত্রে বিষয়টিকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অবিলম্বে সরকারি সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সংলগ্ন দপ্তরে এই নতুন নির্দেশনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে নথিপত্র ব্যবস্থাপনায় একমুখী শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা যায়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার সংক্ষেপণ
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| জারি করার তারিখ | ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বুধবার) |
| জারি করার কর্তৃপক্ষ | মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার |
| বর্জিত শব্দমালা | ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ এবং অন্যাণ্য লিখিত সম্মানসূচক শব্দ |
| কার্যকারিতা | অনতিবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে |
