![]()
বলিউড অভিনেতা সালমান খান এবং বিবেক ওবেরয়ের মধ্যকার দ্বন্দ্বে দুই দশক ধরে যে তিক্ততার ইতিহাস ছিল, সাম্প্রতিক এক ঘটনায় যেন তার পরিবর্তন ঘটল। অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফকে সামাজিক মাধ্যমে ট্রলিংয়ের জবাবে সালমান খানের কড়া অবস্থানকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন বিবেক ওবেরয়।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘ক্যান্সার পেশেন্টস এইড অ্যাসোসিয়েশন’-এর এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিবেক ওবেরয়। সেখানে সালমান খানের এই প্রসংগটি উঠতেই তিনি অনলাইন ট্রলিংয়ের তীব্র সমালোচনা করেন।
বিবেক বলেন, “ট্রলিং একটি অত্যন্ত ক্ষতিকর মানসিকতা। এ জাতীয় নেতিবাচক চর্চা থেকে সবার দূরে থাকা উচিত। জীবনে ইতিবাচক ও সুন্দর অনেক কাজ করার রয়েছে। সেখানে কেন আমরা কারও ব্যক্তিগত জীবন বা শারীরিক গঠন নিয়ে মন্তব্য করব?”
ট্রলিংয়ের বিরুদ্ধে সালমানের বার্তা
সন্তান জন্মদানের পর বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের ওজন বৃদ্ধি ও শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছুদিন ধরে বিতর্ক চলছিল। সম্প্রতি আম্বানি পরিবারের গণপতি উৎসবে তার উপস্থিতির পর এই কটাক্ষ আরও বেড়ে যায়।
এ ঘটনায় চুপ না থেকে প্রকাশ্যে ক্যাটরিনার পাশে দাঁড়ান সালমান খান। বিনোদনমূলক রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’-এর মঞ্চ থেকে তিনি নেটিজেনদের এই ধরনের আচরণকে কড়া ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেন।
সালমানের এই পদক্ষেপে সামাজিক মাধ্যমে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অতীত অভিজ্ঞতা ভুলে এক সহকর্মীর পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিবেক ওবেরয়েরও প্রশংসা করছেন বিনোদন বিশ্লেষকরা।
দুই দশকের পুরোনো দ্বন্দ্ব
২০০৩ সালে এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে সালমান খানের বিরুদ্ধে ফোনে হুমকির অভিযোগ এনেছিলেন বিবেক ওবেরয়। সে সময় দুই তারকার মধ্যে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে, যা পরবর্তীতে বিবেকের অভিনয় ক্যারিয়ারে গভীর প্রভাব ফেলেছিল বলে মনে করা হয়।
তবে সময়ের ব্যবধানে ক্যাটরিনা কাইফকে নিয়ে তৈরি হওয়া সামাজিক বিতর্কে সালমানের ভূমিকার প্রশংসা করে পুরোনো তিক্ততা ভুলে পারস্পরিক সম্মানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বিবেক ওবেরয়।
