Touch Bangladesh
ঢাকাসোমবার , ৫ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

স্থানীয় নির্বাচনে নারী প্রার্থী কম হওয়ার মূলে সামাজিক বাধা: সিইসি

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
অক্টোবর ৫, ২০২৬ ৩:০৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

স্থাঁনীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নারীদের বিপুল অংশগ্রহণ থাকলেও প্রার্থী হিসেবে তাদের উপস্থিতি অত্যন্ত কম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তাঁর মতে, এ ক্ষেত্রে প্রচলিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাস বড় ভূমিকা পালন করে। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) লিঙ্গসমতা (জেন্ডার ইকুয়ালিটি) নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় সিইসি এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় সিইসির বক্তব্যের প্রধান দিকসমূহ

  • 🗳️ ভোটার বনাম প্রার্থী: স্থানীয় নির্বাচনে নারী ভোটারের উপস্থিতি ব্যাপক হলেও প্রার্থী হিসেবে উপস্থিতি খুবই কম।
  • 🎭 সামাজিক প্রতিবন্ধকতা: প্রথাগত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাস নারীদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে বড় বাধা।
  • 🤝 অংশীজনদের ভূমিকা: গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (RPO) বিধান থাকলেও রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্টদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধতার ঘাটতি রয়েছে।
  • 🏛️ টেকসই গণতন্ত্র: দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশ নারীকে বাইরে রেখে বিশ্বাসযোগ্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সব ধাপে নারীদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার তাগিদ

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, নারীদের কেবল নামমাত্র উপস্থিতি নয়, বরং কার্যকর ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। শুধু ভোটার হিসেবে নয়; প্রার্থী, নির্বাচনী প্রচারক, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং কর্মকর্তাসহ নির্বাচনের বিভিন্ন দায়িত্বশীল পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি স্বাধীন পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী হিসেবেও নারীদের নির্বিঘ্নে কাজ করার সুযোগ তৈরির আহ্বান জানান তিনি।

আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও অংশীজনদের সদিচ্ছার অভাব

রাজনীতিতে নারীর ক্ষমতায়নের আইনি ভিত্তি উল্লেখ করে সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচনসংক্রান্ত আইন ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ’ (আরপিও)-এ রাজনৈতিক দলে নারী প্রতিনিধিত্বের সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। তবে বাস্তব ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি চিহ্নিত করেন—সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজন ও রাজনৈতিক দলগুলো আইন বাস্তবায়নে যথেষ্ট আন্তরিক বা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়। তাই নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে সব পক্ষের যৌথ অঙ্গীকার প্রয়োজন।

সংস্কৃতি ও সামাজিক বিশ্বাসকে বিবেচনায় নিয়ে কৌশল নির্ধারণের পরামর্শ

নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণকে সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্র থেকে বিচ্ছিন্ন না দেখার আহ্বান জানিয়ে নাসির উদ্দিন বলেন, প্রশাসন, শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার বিভাগসহ জনজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে নারীদের অংশগ্রহণ লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে বিশ্বাসযোগ্য ও টেকসই করতে হলে ৫০ শতাংশ নারী নাগরিকের পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই হবে। তবে কৌশল নির্ধারণের সময় স্থানীয় সংস্কৃতি ও মানুষের বিশ্বাসকে বিবেচনায় রাখতে হবে, তা না হলে আসল পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে না। অনুষ্ঠানে অন্যান্য চার নির্বাচন কমিশনারও বক্তব্য প্রদান করেন।

কর্মশালা ও সিইসির বক্তব্য এক নজরে

বিষয় / ক্ষেত্র বিস্তারিত বিবরণ
অনুষ্ঠানের নাম ও স্থান লিঙ্গসমতা (জেন্ডার ইকুয়ালিটি) বিষয়ক কর্মশালা, নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, আগারগাঁও
প্রধান বক্তা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন
উপস্থিত অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারগণ আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ
মূল বার্তা সংস্কৃতি ও বিশ্বাস বিবেচনায় রেখে নারী প্রার্থী বাড়াতে সচেতনতা সৃষ্টি ও রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা প্রয়োজন

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।