Touch Bangladesh
ঢাকাশনিবার , ১০ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

গারো সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ‘বাড্ডা ওয়ানগালা ২০২৬’ উদযাপিত

প্রতিবেদক
Louis Daru
অক্টোবর ১০, ২০২৬ ৪:০৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

জাতীয় | সংস্কৃতি ও উৎসব

ঢাকায় বসবাসরত গারো (আচিক/মান্দি) সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব ‘ওয়ানগালা’ জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে। ৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ‘বাড্ডা ওয়ানগালা ২০২৬’ উৎসবে মেতে ওঠে রাজধানীর গারো সম্প্রদায়। এটি মূলত একটি নবান্ন বা ফসল তোলার উৎসব, যেখানে নতুন ফসল ঘরে তোলার পর উর্বরতা ও ফসলের সূর্য দেবতা ‘মিসি সালজং’-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়।

উৎসবের মূল আকর্ষণ ও সারসংক্ষেপ

  • 🌾 ফসল তোলার উৎসব: গারোদের ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব, যেখানে নতুন ফসলের জন্য দেবতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
  • 📅 অনুষ্ঠানের তারিখ: সম্প্রতি ৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয় বাড্ডা ওয়ানগালা।
  • 🥁 সাংস্কৃতিক পরিবেশনা: ঐতিহ্যবাহী দামা (ঢোল), নাচ, গান এবং গারোদের নিজস্ব পোশাকে বর্ণিল আয়োজন।
  • 🍲 ঐতিহ্যবাহী খাবার: উৎসব প্রাঙ্গণে ‘মান্দি মেচিক ফুড কর্নার’সহ বিভিন্ন স্টলে মুন্ডি ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের পসরা।

সূর্য দেবতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন

গারো সম্প্রদায়ের বিশ্বাস অনুযায়ী, শস্য ও উর্বরতার দেবতা ‘মিসি সালজং’ মানুষকে ফসল দিয়েছেন। তাই নতুন ফসল ঘরে তোলার পর তাকে নিবেদন না করে তারা তা গ্রহণ করেন না। এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যমেই পালিত হয় ওয়ানগালা উৎসব। বাড্ডা ওয়ানগালা ২০২৬-এও ধর্মীয় আচার ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দেবতার প্রতি সম্মান জানানো হয় এবং পরিবারের ও সমাজের সার্বিক মঙ্গল কামনা করা হয়।

ঐতিহ্যবাহী নাচ, গান ও বর্ণিল সাজ

উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল গারো সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। নিজস্ব সংস্কৃতির অপরূপ পোশাকে সজ্জিত হয়ে আবালবৃদ্ধবনিতা ওয়ানগালা নাচে অংশগ্রহণ করেন। দামা বা ঐতিহ্যবাহী ঢোলের তালে তালে নেচে-গেয়ে তারা নিজেদের শেকড়ের সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, বাড্ডার পাশাপাশি বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানেও ঐতিহ্যবাহী ‘ঢাকা ওয়ানগালা’ বড় পরিসরে আয়োজিত হয়ে থাকে।

মুন্ডি ও গারোদের ঐতিহ্যবাহী খাবারের পসরা

সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি ওয়ানগালা উৎসব পরিণত হয় গারোদের ঐতিহ্যবাহী খাবারের এক মিলনমেলায়। উৎসব প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ফুড স্টলে, বিশেষ করে ‘মান্দি মেচিক ফুড কর্নার’-এ গারোদের ঐতিহ্যবাহী খাবার ‘মুন্ডি’ (Mundi), চালের তৈরি বিভিন্ন পদ এবং পাহাড়ি সুস্বাদু খাবারের আয়োজন ছিল। এই খাবারগুলো উৎসবে আগত দর্শনার্থীদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করে এবং গারো সংস্কৃতির রসনার তৃপ্তি তুলে ধরে।

এক নজরে বাড্ডা ওয়ানগালা ২০২৬

বিষয় বিস্তারিত তথ্য
উৎসবের নাম বাড্ডা ওয়ানগালা ২০২৬ (Badda Wangala)
আয়োজনের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০২৬
মূল উদ্দেশ্য উর্বরতা ও ফসলের সূর্য দেবতা ‘মিসি সালজং’-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন
আয়োজক সম্প্রদায় গারো (মান্দি/আচিক) সম্প্রদায়
প্রধান আকর্ষণ ঐতিহ্যবাহী নাচ, দামা বাদ্য, নিজস্ব পোশাক ও সংস্কৃতি চর্চা
ঐতিহ্যবাহী খাবার মুন্ডি, চালের তৈরি পদ এবং ‘মান্দি মেচিক ফুড কর্নার’-এর বিশেষ আয়োজন

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।