![]()
আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে সাফ জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তবে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সাধারণ জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
- 🗳️ ভোটগ্রহণের তারিখ: আগামী ২৯ অক্টোবর ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)।
- 🛡️ আইনশৃঙ্খলা শক্তি: সেনা মোতায়েন না হলেও জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় প্রায় ৩ গুণ বেশি সদস্য দায়িত্বে থাকবেন।
- 📹 প্রযুক্তিগত নজরদারি: ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা, ড্রোনের মাধ্যমে টহল এবং পুলিশ-র্যাব-বিজিবির শরীরে ‘বডি ওর্ন’ ক্যামেরা।
- ⚖️ অভিযোগ নিষ্পত্তি: ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির কাছে আসা ৩টি অভিযোগের মধ্যে ১টি নিষ্পত্তি, বাকি ২টি তদন্তাধীন।
৩ গুণ বেশি নিরাপত্তা ও প্রটোকল: কেন লাগছে না সেনা?
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, যেকোনো আসনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া নিশ্চিত করাই নির্বাচন কমিশনের মূল লক্ষ্য। এই উপনির্বাচনে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র্যাব এবং আনসার সদস্য মোতায়েন থাকছে। নিরাপত্তা চাদর সাধারণ নির্বাচনের চেয়ে তিন গুণ শক্তিশালী হওয়ায় আলাদা করে সেনা বাহিনীর প্রয়োজন হবে না। এখন পর্যন্ত ঠাকুরগাঁওয়ের ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সন্তোষজনক ও শান্তিপূর্ণ রয়েছে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।
সিসি ক্যামেরা, ড্রোন এবং বডি ওর্ন ক্যামেরায় সর্বোচ্চ নজরদারি
ভোটগ্রহণে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং তার ফুটেজ সসংরক্ষণ করা হবে। মাঠপর্যায়ে দায়িত্বরত পুলিশ, বিজিবি ও র্যাব সদস্যদের শরীরে ‘বডি ওর্ন’ ক্যামেরা লাগানো থাকবে। একই সাথে আকাশপথে নির্বাচনী এলাকার ওপর ড্রোনের সাহায্যে কঠোর মনিটরিং চালানো হবে, যাতে কোনো অপ্রীতিকর বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ঘটলে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়।
ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির তৎপরতা ও প্রশাসনিক সভা
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন বা অনিয়মের অভিযোগ নিষ্পত্তিতে কার্যকর রয়েছে ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি। ইসি সানাউল্লাহ জানান, এ পর্যন্ত পাওয়া তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের মধ্যে একটির সুরাহা হয়েছে এবং বাকি দুটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ সভায় ভিজিল্যান্স টিম, বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন প্রসেস একনজরে
| বিষয় / ক্ষেত্র | বিবরণ ও কমিশন নির্দেশিকা |
|---|---|
| নির্বাচনী এলাকা & সময়সূচি | ঠাকুরগাঁও-১ আসন | ভোটগ্রহণ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ |
| নিরাপত্তা বাহিনীর বিন্যাস | সাধারণ নির্বাচনের চেয়ে ৩ গুণ বেশি পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও আনসার (সেনা নেই) |
| প্রযুক্তি ও মনিটরিং | কেন্দ্রভিত্তিক সিসি ক্যামেরা, ড্রোনে টহল এবং সদস্যভিত্তিক বডি ওর্ন ক্যামেরা |
| আইনি ইনকোয়ারি সেল | ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি (বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সমন্বয়ে) |
