Touch Bangladesh
ঢাকামঙ্গলবার , ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

মাইন বিস্ফোরণ ও সামরিক উপস্থিতিতে কোরীয় উপদ্বীপে চরম সংকট

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি পাঠানো এবং সীমান্তের কাছে উত্তর কোরিয়ার ভারী সামরিক কামান (হাউইটজার) দৃশ্যমান হওয়ার পর এ সপ্তাহে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। সেপ্টেম্বরে সংঘটিত স্থলমাইন বিস্ফোরণের ঘটনা সিউল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাজিয়েছে বলে চিঠিতে নতুন করে অভিযোগ করেছে পিয়ংইয়ং। অন্যদিকে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, আলোচনার পথ এড়িয়ে উত্তর কোরিয়া শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের সীমান্তনীতি কার্যকর করতে চাইছে।

কোরীয় সীমান্ত উত্তেজনার মূল হাইলাইটস

  • 💣 মাইন বিস্ফোরণ বিতর্ক: ২১ সেপ্টেম্বরের ডিএমজেড মাইন বিস্ফোরণকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে জাতিসংঘে পাল্টাপাল্টি চিঠি চালাচালি।
  • 🚀 ভারী অস্ত্র মোতায়েন: সীমান্তের কাছে উত্তর কোরিয়ার ১২২ মিলিমিটারের স্বচালিত হাউইটজার এবং সাঁজোয়া যান প্রকাশ্য প্রদর্শন।
  • ⚠️ সংশ্লেষ ও হুমকি: সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হলে আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুংকার পিয়ংইয়ংয়ের।
  • 📉 সংঘাতের ঝুঁকি: সামরিক মুখোমুখি অবস্থান ও অবিশ্বাসের ইতিহাসে ভুলের বশে বড় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা।

সীমান্তে উত্তর কোরিয়ার হাউইটজার ও সাঁজোয়া যান প্রদর্শন

দক্ষিণ কোরিয়ার পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ও সংবাদ সংস্থা ইউনহাপের তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তের কাছে অত্যন্ত স্পষ্ট ও দৃশ্যমান স্থানে উত্তর কোরিয়ার একটি ১২২ মিলিমিটারের স্বচালিত হাউইটজার বসানো হয়েছে। দক্ষিণ দিকের দিকে নল তাক করা অবস্থায় উত্তর কোরিয়ার তিনটি সাঁজোয়া যানও সেখানে অবস্থান করছে। পাশাপাশি অসামরিক অঞ্চলের (ডিএমজেড) ভেতরে ২০ থেকে ৩০ জন সেনাকে বেড়া নির্মাণের কাজ করতে দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আলোচনার পরিবর্তে শক্তি প্রয়োগের বার্তা দিতেই পিয়ংইয়ং এই অস্বাভাবিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

জাতিসংঘে পাল্টাপাল্টি চিঠি ও পিয়ংইয়ংয়ের অবস্থান

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছে, পাঠানো চিঠিতে পিয়ংইয়ং দাবি করেছে যে সীমান্তে তাদের নির্মাণকাজকে সামরিক অনুপ্রবেশ হিসেবে দেখাতে সিউল স্থলমাইনের ঘটনাকে ব্যবহার করছে। এর আগে দক্ষিণ কোরিয়া নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি পাঠিয়ে দাবি করেছিল যে, ডিএমজেডের মাইনগুলো উত্তর কোরিয়ার সেনারা পুঁতেছিল, যা ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন। তবে উত্তর কোরিয়া সমস্ত দায় অস্বীকার করে উল্টো দক্ষিণের বিরুদ্ধে তাদের সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ তুলেছে।

অবিশ্বাসের ইতিহাস ও বড় সংঘাতের আশঙ্কা

কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তির মাধ্যমে না হয়ে কেবল যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে হওয়ায় কয়েক দশক ধরে সীমান্তে সামরিক সন্দেহ ও অবিশ্বাস বজায় রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এই সংকটকে আরও গভীর করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো—সীমান্তে সেনাদের মুখোমুখি অবস্থান এবং ভারী অস্ত্রের উপস্থিতির মধ্যে ছোট একটি ভুলের কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের সশস্ত্র সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কোরীয় সীমান্ত উত্তেজনা ও সংঘাতের পটভূমি সংক্ষেপ

বিষয় / ক্ষেত্র বিবরণ ও মূল তথ্য
উত্তেজনার সূত্রপাত ২১ সেপ্টেম্বর ডিএমজেডে মাইন বিস্ফোরণ (আহত ৩ দক্ষিণ কোরীয় সেনা)
উত্তর কোরিয়ার সামরিক পদক্ষেপ ১২২ মিলিমিটারের স্বচালিত হাউইটজার কামান ও সাঁজোয়া যান মোতায়েন
জাতিসংঘে কূটনীতি নিরাপত্তা পরিষদে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি চিঠি ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন নিয়ে বিতর্ক
প্রধান ঝুঁকি ভুল হিসাব বা ছোট ঘটনা থেকে সর্বাত্মক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।