![]()
বিদেশি পর্যটকদের কাছে পণ্য ও সেবা বিক্রির বিপরীতে আন্তর্জাতিকভাবে ইস্যু করা কার্ড এবং অন্যান্য অনুমোদিত পেমেন্ট উপকরণের মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার একটি অংশ সংরক্ষণের সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রবিবার (২৫ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-২ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে দেশের সব অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংককে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ ও শপিং মলসহ সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো পর্যটন খাতের সেবা সম্প্রসারণে আরও সুবিধা পাবে।
- 💵 বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ: আন্তর্জাতিক কার্ড ও পেমেন্টে অর্জিত মুদ্রার একটি অংশ জমা রাখার সুযোগ।
- 🏨 আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠান: হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, শপিং মল ও খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র।
- 💳 ডিজিটাল পেমেন্ট: আন্তর্জাতিক কার্ড ব্যবহারের উপযুক্ত ব্যবস্থা রাখতে এডি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা।
- 📈 সুবিধাসমূহ: বৈধ বৈদেশিক দায় পরিশোধ সহজ হওয়া এবং অভ্যন্তরীণ মুদ্রাপ্রবাহ বজায় রাখা।
সংরক্ষিত মুদ্রার ব্যবহার ও সুযোগ-সুবিধা
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার হিসাবে সংরক্ষিত এই অর্থ চলতি হিসাবের আওতাভুক্ত বৈধ বৈদেশিক লেনদেনের দায় পরিশোধে ব্যবহার করা যাবে। এর মধ্যে প্রযোজ্য বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান মেনে আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট পরিশোধও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো যাতে আন্তর্জাতিকভাবে ইস্যু করা কার্ডের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পর্যটন খাতে ইতিবাচক প্রভাব ও খাতসংশ্লিষ্টদের মতামত
খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের এই নতুন উদ্যোগ বিদেশি পর্যটকদের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধ বৈদেশিক ব্যয় ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পরিশোধ সহজ করবে। এর ফলে পর্যটন ও খুচরা ব্যবসা খাত আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ব্যবস্থার সর্বোচ্চ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। একই সঙ্গে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার অবশিষ্ট অংশ স্থানীয় মুদ্রায় (টাকায়) রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ মুদ্রাপ্রবাহ সচল রাখতেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ প্রজ্ঞাপন সংক্ষেপ
| বিষয় / ক্ষেত্র | বিবরণ ও মূল তথ্য |
|---|---|
| জারি কারী বিভাগ | বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-২, বাংলাদেশ ব্যাংক |
| প্রজ্ঞাপনের তারিখ | ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ |
| সুবিধাভোগী প্রতিষ্ঠান | হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, শপিং মল ও খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র |
| মূল লক্ষ্য | বিদেশি পর্যটকদের লেনদেন সহজ করা ও বৈদেশিক মুদ্রা আংশিক সংরক্ষণ |
