Touch Bangladesh
ঢাকাসোমবার , ২০ এপ্রিল ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  12. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  13. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  14. সাম্প্রতিক বিশ্ব
  15. সারাবাংলার চিত্র
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ঐতিহাসিক জয় পেল বাংলাদেশের নারী দল

প্রতিবেদক
Md. Saiful Islam Journalist
এপ্রিল ২০, ২০২৬ ২:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

শারমিন আক্তার সুপ্তার ইনিংসটা ছিল ঝরঝরে, তার ৮৬ রানের ইনিংসে ছিল ১৩টি বাউন্ডারি। তবে ১৯৯ রানের মাথায় নিজের উইকেট বিলিয়ে দেন, ফলে সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়েই তাকে ফিরতে হয় সাজঘরে। এরপরই ঘটে বিপত্তি, টানা চার উইকেট হারিয়ে ম্যাচটাকে কঠিন বানিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো অঘটন ঘটেনি, ৯ বল হাতে রেখেই ৩ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশের মেয়েরা।

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামের আন্তর্জাতিক অভিষেকটা দারুণ এক জয়ে স্মরণীয় করে রাখলো বাংলাদেশের নারী দল। শারমিন-সোবহানা মোস্তারির অনবদ্য নৈপুণ্যে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলো টাইগ্রেসরা।

২০৬ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি। ইনিংসের পঞ্চম বলেই মাল্কি মাদারার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন শারমিন সুলতানা। দ্বিতীয় ওভারেই নিমাশা মাদুশানির বলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন আরেক ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। স্কোরবোর্ডে মাত্র ৫ রান যোগ হতেই টপ-অর্ডারের দুই ব্যাটারকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।

এরপর অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ও শারমিন আক্তার মিলে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন। তবে তাদের জুটি বেশি দূর এগোতে পারেননি। দলীয় ৩৪ রানের মাথায় নিগার সুলতানা জ্যোতির বিদায়ে ভাঙে তাদের ২৯ রানের জুটি।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে সোবহানা মোস্তারিকে সাথে নিয়ে এগোতে থাকেন শারমিন আক্তার। দুজনের দারুণ ব্যাটিংয়ে ২২তম ওভারেই দলীয় ১০০ রানে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। তবে ২৮তম ওভারে দলীয় ১২১ রানের মাথায় রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফেরেন মোস্তারি। তার আগে ৫৬ বলে ৪১ রান করেন তিনি।

মোস্তারি ফিরলে শারমিনের সাথে দলের হাল ধরেন স্বর্ণা আক্তার। তাদের দুজনের ১০২ বলে ৭৮ রানের জুটিতে জয়ের একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। তবে দলীয় ১৯৯ রানের মাথায় আউট হন শারমিন আক্তার। ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ১২৭ বলে ৮৬ রান।

এরপর ১ রানের ব্যবধানেই আরও তিন উইকেট হারায় তারা। পরে নাহিদা আক্তার ও সুলতানা খাতুন মিলে জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন। নাহিদা ৭ বলে ৩ রান ও সুলতানা ১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে তারা তোলে ২০৫ রান। লঙ্কানদের পক্ষে হানসিমা করুণারত্নে ছিলেন সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক— ৭১ বলে করেন ৫৪ রান। তাকে দারুণভাবে সঙ্গ দেন ইমেশা দুলানি, যিনি ৭৭ বলে ৫২ রানের একটি কার্যকর ইনিংস খেলেন।

ফিফটির দেখা না পেলেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন কাভিশা দিলহারি, তার ব্যাট থেকে আসে ৩৮ বলে ৩০ রান। এছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হাসিনি পেরেরা করেন ৪১ বলে ২৭ রান, আর কাউসিনি নাথইয়াঙ্গানা যোগ করেন ২৩ বলে ১৮ রান।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন রিতু মনি, তিনি নিয়েছেন ৩টি উইকেট। নাহিদা আক্তার শিকার করেন ২টি উইকেট। এছাড়া সোবহানা মোস্তারী, রাবেয়া খান, সুলতানা খাতুন ও মারুফা আক্তার নেন একটি করে উইকেট।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।