Touch Bangladesh
ঢাকামঙ্গলবার , ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

৪ কোটি মানুষকে সাক্ষরতার আওতায় আনার তাগিদ

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

দেশে এখনও প্রায় চার কোটি মানুষ সাক্ষরতা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে উল্লেখ করে তাদের শিক্ষা ও দক্ষতার মূলধারায় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও ফলাফলভিত্তিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, দেশের কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না—এটাই সরকারের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে প্রতিটি শিশুকে নৈতিকতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি এমন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে সে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তেজগাঁওয়ে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে এখনো প্রায় ২২ শতাংশ মানুষ সাক্ষরতা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে। সংখ্যার হিসেবে এটি প্রায় চার কোটি মানুষের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী। এর বড় একটি অংশ প্রাপ্তবয়স্ক। পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার বয়সী অনেক শিশুও এখনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে। এই জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা ও দক্ষতার মূলধারায় ফিরিয়ে আনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

চলমান কার্যক্রমকে আরও ফলাফলমুখী করার আহ্বান জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, বিভিন্ন প্রকল্পের রিস্কোপিং, রিডিজাইনিং ও রিফোকাসিং করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল নিশ্চিত হচ্ছে কি না, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু শিশুদের বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা নয়; তাদের সঠিক শিক্ষা নিশ্চিত করাও জরুরি। এই শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ দুটি দিক হলো নৈতিকতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা। একটি শিশু যেন শুধু প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষিত না হয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে কর্মজীবনে সফল হতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।

শিক্ষা খাতে বাজেটের যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাজেটের বড় একটি অংশ শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিশুদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনা, সাক্ষরতা বৃদ্ধি এবং দক্ষতা উন্নয়নে ব্যয় করতে হবে। শুধু অবকাঠামো নির্মাণে শিক্ষা খাতের অর্থ ব্যয় না করে বাজেটের প্রতিটি টাকা মানুষের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার কাজে ব্যবহার করতে হবে।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধু সাক্ষরতার হার বাড়ানোই যথেষ্ট নয়। এমন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, যা মানুষের জীবনমান উন্নত করবে, নৈতিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে এবং কর্মজীবনে কার্যকর ভূমিকা রাখার সক্ষমতা তৈরি করবে।

উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক মনোয়ারা ইশরাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার এবং অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।