Touch Bangladesh
ঢাকারবিবার , ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অনুসন্ধানে দুদক

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে নিয়োগ-পদায়ন ও টেন্ডার বাণিজ্য, উন্নয়ন প্রকল্পে বিপুল পরিমাণ কমিশন গ্রহণ এবং বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সমন্বিত এই আর্থিক অনিয়মের আনুমানিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুদক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অনুসন্ধান: মূল খাতসমূহ

  • 💸 বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার: দুবাই (৪,৫০০ কোটি), সিঙ্গাপুর (৩,০০০ কোটি), অস্ট্রেলিয়া (২,০০০ কোটি) ও সুইজারল্যান্ডে (১,৫০০ কোটি) টাকা পাচার করে ভিলা কেনা ও বিদেশে বিনিয়োগের অভিযোগ।
  • 🏬 ডিসি ও প্রশাসক পদায়ন বাণিজ্য: ঢাকা উত্তর সিটিতে প্রশাসক নিয়োগে ৬০ কোটি এবং সারা দেশে ৩৬ জন ডিসি পদায়নে ৭২ থেকে ৩৬০ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ।
  • 🏗️ প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় ও কমিশন: সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্প ও শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১,২০০ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয় দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক তথ্য।
  • 💼 উচ্চপদে উৎকোচ গ্রহণ: ঢাকা ওয়াসার এমডি নিয়োগে ১০ কোটি, এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগে ৫২ কোটি এবং গাজীপুর সিইও নিয়োগে ৬৫ কোটি টাকার ঘুস লেনদেন।
  • 👥 স্বজনদের সিন্ডিকেটিং: বাবা, এপিএস ও পিওর মাধ্যমে ঠিকাদারি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ এবং স্বজনদের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের বিষয়টিও অনুসন্ধানের অন্তর্ভুক্ত।

বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার ও পদায়ন বাণিজ্য

দুদক জানায়, প্রাপ্ত অভিযোগের মধ্যে চার দেশে মোট ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের বিষয়টি সবচেয়ে বড় অংকের। এই অর্থ দিয়ে দুবাইয়ের গ্রিন গ্রুপে বিনিয়োগ, পর্তুগালে জমি ক্রয় এবং সুইস ব্যাংকে আমানত জমা রাখার তথ্য এসেছে। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগে ৬০ কোটি টাকা এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় ৩৬ জন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগে ২ থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রকল্প বাজেট বৃদ্ধি, নিয়োগ দুর্নীতি ও পারিবারিক সিন্ডিকেট

স্থানীয় সরকার ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিশন নেওয়ার পাশাপাশি শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১২০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ওয়াসার এমডি ও এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটিতে কোটিতে টাকার দরকষাকষির অভিযোগ ওঠে। আসিফ মাহমুদের বাবা বিল্লাল হোসেন, এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেন এবং পিও মাহফুজুল আলম ভূঁইয়ার গঠিত সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই এসব লেনদেন পরিচালিত হতো বলে দুদকের নথিতে বলা হয়েছে।

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধানের বিবরণী

অভিযোগের খাত দাবিকৃত অর্থের পরিমাণ মূল বিষয়বস্তু
বিদেশি পাচার ১১,০০০ কোটি টাকা দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে ভিলা ও ব্যবসা খাতে বিনিয়োগ
প্রশাসক ও ডিসি পদায়ন ১৩২ – ৪২০ কোটি টাকা ডিএনসিসি প্রশাসক (৬০ কোটি) ও ৩৬ ডিসি নিয়োগে (৭২-৩৬০ কোটি) ঘুষ লেনদেন
পদস্থ কর্মকর্তা নিয়োগ ১২৭ কোটি টাকা ঢাকা ওয়াসা এমডি (১০ কোটি), এলজিইডি চিফ (৫২ কোটি) ও গাজীপুর সিইও (৬৫ কোটি)
প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় ১,২০০+ কোটি টাকা শেখ রাসেল স্টেডিয়াম ও ওয়াসা সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পে অস্বাভাবিক বাজেট বৃদ্ধি
যুব ও ক্রীড়া দুর্নীতি ৪.২৬ কোটি টাকা উপজেলা ও সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের চলতি দায়িত্ব ও পদায়ন বাণিজ্য

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।