Touch Bangladesh
ঢাকারবিবার , ৪ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে পরপর ৩টি ভূমিকম্প

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
অক্টোবর ৪, ২০২৬ ৭:০১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

ভারতের মিজোরাম, ত্রিপুরা এবং মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় পরপর তিনটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে সংঘটিত এসব ভূকম্পনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, কুমিল্লা এবং রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র থেকে মৃদু ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। আতঙ্কে রাতে অনেক মানুষ বাসা-বাড়ি থেকে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন।

পরপর ৩টি ভূমিকম্পের সারসংক্ষেপ

  • 🌐 প্রথম কম্পন (রাত ১২:১২): মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা; মাত্রা রিখটার স্কেলে ৪.৯।
  • 🌐 দ্বিতীয় কম্পন (রাত ১২:১৩): ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত (মিজোরামের লুংলেই); মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫.০।
  • 🌐 তৃতীয় কম্পন (রাত ১:২৭): ভারতের ত্রিপুরার আগরতলা এলাকা; মাত্রা রিখটার স্কেলে ৩.৮।
  • 📍 প্রভাবিত অঞ্চল: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী এবং রাজধানী ঢাকা।

মধ্যরাতে এক মিনিটের ব্যবধানে দুই শক্তিশালী ধাক্কা

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্রের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ১২ মিনিটে প্রথম ভূকম্পনটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এবং রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪.৯। ঠিক এক মিনিট পর, রাত ১২টা ১৩ মিনিটে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের মিজোরামের লুংলেই এলাকা থেকে ৫.০ মাত্রার দ্বিতীয় শক্তিশালী কম্পনটি অনুভূত হয়। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, কুমিল্লা ও নোয়াখালীসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে জোরালো কম্পন অনুভূত হয়।

রাত ১টায় ত্রিপুরার আগরতলায় ৩.৮ মাত্রার ধাক্কা

প্রথম দুটি কম্পনের আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই রাত ১টা ২৭ মিনিটে তৃতীয়বার ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। এটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের ত্রিপুরা অঙ্গরাজ্যের আগরতলা অঞ্চল। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩.৮। তুলনামূলক মৃদু হলেও ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর বাসিন্দারা এ সময় হালকা ঝাঁকুনি অনুভব করেন।

নাগরিক আতঙ্ক ও সার্বিক ক্ষয়ক্ষতি

হঠাৎ মধ্যরাতে পর পর ভূকম্পনে চট্টগ্রাম ও ফেনীসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বহুতল ভবনের বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বহু মানুষ স্বজনদের নিয়ে বাসাবাড়ি ছেড়ে দ্রুত খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো এলাকা থেকেই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি।

ভূমিকম্পের স্থান, সময় ও মাত্রা

সময় উৎপত্তিস্থল মাত্রা অনুভূত অঞ্চল
রাত ১২:১২ (শনিবার) মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত ৪.৯ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার
রাত ১২:১৩ (শনিবার) লুংলেই, মিজোরাম (ভারত) ৫.০ ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী
রাত ১:২৭ (রবিবার) আগরতলা, ত্রিপুরা (ভারত) ৩.৮ ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।