Touch Bangladesh
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

প্লাস্টিক দূষণ রোধে উৎপাদকদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিতের আহ্বান

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
অক্টোবর ১৫, ২০২৬ ১২:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

বাংলাদেশে প্লাস্টিক দূষণ কমানো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তুলতে উৎপাদকদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও উন্নয়ন সহযোগীরা।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টেবার) দ্য ওয়েস্টিন ঢাকায় পরিবেশ অধিদপ্তর (ডিওই) ও জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইউনিডো) আয়োজিত এক সেমিনারে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। সেমিনারে বর্ধিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা (এক্সটেন্ডেড প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি—ইপিআর), সম্পদ-সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন উৎপাদন (আরইসিপি) এবং পরিবেশবান্ধব পণ্য নকশার (ডিজাইন ফর এনভায়রনমেন্ট—ডিএফই) বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়।

‘বাংলাদেশে টেকসই প্লাস্টিক ব্যবহার ও সামুদ্রিক বর্জ্য প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ সেমিনারের অর্থায়ন করেছে ঢাকায় অবস্থিত রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাস।

উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রানসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিডোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মাসুদ ইকবাল মো. শামীন। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্পের জাতীয় পরিচালক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন। অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমানের ভিডিও বার্তাও উপস্থাপন করা হয়।

কারিগরি অধিবেশনে প্লাস্টিক খাতে ইপিআর নীতির কার্যকর বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে উপস্থাপনা দেন প্রকল্পের জাতীয় বিশেষজ্ঞ মাকসুদ সিনহা। এরপর ইউনিডোর সাবেক বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. জাকি উজ জামানের সঞ্চালনায় প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাস, বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রতিনিধিরা। আলোচনায় প্লাস্টিক পণ্যের উৎপাদন ও ব্যবহারের পর সৃষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সরকার, উৎপাদক ও অন্যান্য অংশীজনের দায়িত্ব এবং সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. নুরুন নাহার ও যুগ্ম সচিব লুবনা ইয়াসমিন। পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সুলাইমান হায়দার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

আয়োজকেরা জানান, নীতিগত উদ্যোগ ও শিল্পকারখানার বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে বাংলাদেশের প্লাস্টিক খাতকে আরও সম্পদ-সাশ্রয়ী ও বৃত্তাকার অর্থনীতিভিত্তিক ব্যবস্থার দিকে নিয়ে যাওয়াই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। এ রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে প্রকল্পের আওতায় নীতিগত সহায়তা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা এবং প্লাস্টিক দূষণ ও সামুদ্রিক বর্জ্য প্রতিরোধে বাস্তবভিত্তিক কার্যক্রম চলছে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।