Touch Bangladesh
ঢাকারবিবার , ২১ জুন ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

‎জন্ম হোক যথাতথা, আমার রাষ্ট্র-ই আমার পিতা

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
জুন ২১, ২০২৬ ২:১৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

‎স্পীন ডক্টর ক্লিন্টন হাওলাদার পাভেল

‎রাষ্ট্র কেবল একটি ভূখণ্ডের নাম নয়; রাষ্ট্র একটি জাতির পরিচয়, অস্তিত্ব, নিরাপত্তা ও সম্মিলিত স্বপ্নের প্রতীক। মানুষ জন্মসূত্রে ভিন্ন পরিবার, অঞ্চল, ভাষা কিংবা সামাজিক পরিবেশে জন্মগ্রহণ করতে পারে। কিন্তু ব্যক্তি হিসেবে তার চূড়ান্ত পরিচয় নির্ধারণ করে যে সত্তা, তা হলো রাষ্ট্র। তাই বলা যায়— “জন্ম হোক যথাতথা, আমার রাষ্ট্র-ই আমার পিতা।”

‎জন্মের পর একজন মানুষ প্রথমে পরিবারে বেড়ে উঠলেও বৃহত্তর পরিসরে তার বিকাশ, শিক্ষা, অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করে রাষ্ট্র। নাগরিকের জন্মনিবন্ধন থেকে শুরু করে শিক্ষা, চিকিৎসা, আইনগত সুরক্ষা, ভোটাধিকার, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিতি— সবকিছুর ভিত্তিই রাষ্ট্র। রাষ্ট্র না থাকলে নাগরিক পরিচয়েরও অস্তিত্ব থাকে না।

‎বর্তমান বিশ্বে রাষ্ট্রীয়বাদী ও রাষ্ট্রীয় চেতনার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। বৈশ্বিক রাজনীতি, অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং বহুমাত্রিক সংকটের যুগে একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রই নাগরিকদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে। এজন্য প্রত্যেক নাগরিকের মধ্যে রাষ্ট্রীয় চেতনা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত হওয়া অপরিহার্য।

‎রাষ্ট্রীয়বাদ মানে অন্ধ আনুগত্য নয়; বরং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, সংবিধান, জাতীয় স্বার্থ এবং জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া। একজন প্রকৃত রাষ্ট্রীয়বাদী ব্যক্তি নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শ, ব্যক্তিগত স্বার্থ কিংবা গোষ্ঠীগত পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্রের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেন। কারণ রাষ্ট্র টিকে থাকলেই নাগরিকের স্বাধীনতা, অধিকার ও সম্ভাবনার বিকাশ সম্ভব।

‎দুঃখজনকভাবে, আমাদের সমাজে অনেক সময় ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রাষ্ট্রীয় স্বার্থের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে। এর ফলে জাতীয় ঐক্য ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রাষ্ট্র দুর্বল হয়ে পড়ে। এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমাদের প্রত্যেককে দায়িত্বশীল, সচেতন এবং রাষ্ট্রকেন্দ্রিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

‎বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে অসংখ্য শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে। এই রাষ্ট্র আমাদের অহংকার, আমাদের পরিচয় এবং আমাদের ভবিষ্যৎ। তাই জন্ম যেখানেই হোক, যে পরিবারেই হোক— আমাদের সবার প্রথম ও প্রধান পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। রাষ্ট্রের মর্যাদা রক্ষা, আইন মেনে চলা, সম্পদ সংরক্ষণ এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা আমাদের দায়িত্ব।

‎জন্ম হোক যথাতথা— আমাদের রাষ্ট্রই আমাদের পিতা, রাষ্ট্রই আমাদের আশ্রয়। রাষ্ট্রকে ভালোবাসা, শক্তিশালী করা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য আরও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তোলাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

‎পিতৃ পরিচয় থেকে রাষ্ট্রীয় পরিচয় শ্রেয়। বাবা দিবস উপলক্ষে পৃথিবীর সকল বাবাকে শুভেচ্ছা জানাই।

লেখক: স্পীন ডক্টর ক্লিন্টন হাওলাদার পাভেল (সিইও, প্রতিষ্ঠাতা: বাংলাদেশ সাপোর্টার্স ফোরাম)

‎[বি.দ্র. : এটি  কারো প্রতি চাপিয়ে দেওয়ার জন্য নয়। প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব মতামত রয়েছে।  রাষ্ট্রীয়বাদী ক্লিন্টন হাওলাদার পাভেলের নিজস্ব মতের পরিপ্রেক্ষিতে লেখা। ]

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।