![]()
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘এফ’-এর ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ৪-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে গুঁড়িয়ে দিয়েছে জাপান। মেক্সিকোর মন্টেরি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি কেবল জাপানের একচেটিয়া আধিপত্যের জন্যই নয়, বরং বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১,০০০তম ম্যাচ হিসেবে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছে।
ফেইনুর্ড স্ট্রাইকার আয়াসে উয়েদার জোড়া গোল এবং ক্রিস্টাল প্যালেসের মিডফিল্ডার দাইচি কামাদা ও জুনিয়া ইতোর চমৎকার ফিনিশিংয়ে ম্যাচ থেকে সম্পূর্ণ ছিটকে যায় তিউনিসিয়া। তিউনিসিয়ার সদ্য নিযুক্ত কোচ হার্ভে রেনার্ডের অধীনে এটিই ছিল দলটির প্রথম ম্যাচ, তবে জাপানের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে তার সমস্ত রক্ষণাত্মক কৌশল ব্যর্থ হয়।
ম্যাচের বিবরণ ও গোল উৎসব
ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই তিউনিসিয়ার রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে ‘সামুরাই ব্লু’রা।
-
৪ মিনিট (১-০): ম্যাচের মাত্র ৪র্থ মিনিটে কেইতো নাকামুরার একটি চমৎকার লো ক্রস থেকে বল পেয়ে নিখুঁত শটে গোলটির খাতা খোলেন ক্রিস্টাল প্যালেসের মিডফিল্ডার দাইচি কামাদা।
-
৩১ মিনিট (২-০): প্রথমার্ধেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আয়াসে উয়েদা। ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া এক নিখুঁত নিচু স্ট্রাইকে তিউনিসিয়ার ডিফেন্সকে পরাস্ত করেন এই ফেইনুর্ড স্ট্রাইকার।
-
৬৯ মিনিট (৩-০): দ্বিতীয়ার্ধেও জাপানের আক্রমণের ধার কমেনি। উয়েদার বাড়ানো নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে জাপানের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন জুনিয়া ইতো।
-
৮৩ মিনিট (৪-০): ম্যাচের শেষ দিকে কাইশু সানোর দুর্দান্ত ক্রস থেকে দর্শনীয় এক হেডে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করার পাশাপাশি তিউনিসিয়ার বড় পরাজয় নিশ্চিত করেন ম্যাচ সেরা উয়েদা।
এক নজরে ম্যাচের পরিসংখ্যান
| পরিসংখ্যান | তিউনিসিয়া | জাপান |
| গোল | ০ | ৪ |
| বল দখল (Possession) | ৪৩% | ৫৭% |
| শট (টার্গেটে) | ৩ (১) | ১০ (৫) |
| পাসের নির্ভুলতা (Pass Accuracy) | ৮৩% | ৯১% |
| ফাউল | ৯ | ১৪ |
গ্রুপ ‘এফ’-এর সমীকরণ
এই বড় জয়ের পর প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের সাথে ২-২ গোলে ড্র করা জাপান ২ ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘এফ’-এর টেবিলের শীর্ষস্থানে ডাচদের সাথে যৌথভাবে অবস্থান করছে। অন্যদিকে, টুর্নামেন্টে টানা দুটি বড় হারের মুখ দেখে তিউনিসিয়ার এবারের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়ে গেছে।
