Touch Bangladesh
ঢাকাবুধবার , ১৯ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

রেকর্ড গতিতে ছড়াচ্ছে ইবোলা: আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
আগস্ট ১৯, ২০২৬ ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

নিউজ প্রোভাইডার 

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআরসি) এবং তার পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে রেকর্ড গতিতে ছড়িয়ে পড়া ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বিশ্বজুড়ে মারাত্মক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। আফ্রিকার ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহতম এই সংকট মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) পরিস্থিতিকে ইতিমধ্যেই “আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কারণ হিসেবে একটি জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা” (PHEIC) হিসেবে ঘোষণা করেছে।

চলমান এই মহামারিতে নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৫,০০০ ছাড়িয়ে গেছে এবং মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ২,৩০০ জনেরও বেশি। ভাইরাসের নতুন সংক্রমণের হার এতটাই তীব্র যে, প্রথম ১,০০০ আক্রান্ত হতে সময় লেগেছিল মাত্র ৪০ দিন, যা ২০১৮ সালের প্রাদুর্ভাবের তুলনায় প্রায় ছয় গুণ দ্রুত। কঙ্গোতে বর্তমানে গড়ে প্রতি ৩০ মিনিটে একজন করে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হচ্ছে।

চলমান এই প্রাদুর্ভাবটি ইবোলার ‘বুন্দিবুগিও’ (Bundibugyo) স্ট্রেনের কারণে ঘটেছে। পূর্বে আবিষ্কৃত ইবোলার টিকাগুলো এই বিশেষ প্রজাতির বিরুদ্ধে কাজ না করায় বর্তমানে এর কোনো অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। এ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার প্রায় ৫০ শতাংশ।

কঙ্গোর পাঁচটি প্রদেশ পেরিয়ে সংক্রমণ প্রতিবেশী উগান্ডায় ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি ইউরোপের জার্মানি ও ফ্রান্সেও আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। খনিজ সমৃদ্ধ অঞ্চলে সশস্ত্র সংঘাত, স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা এবং ব্যাপক জনগোষ্ঠী বাস্তুচ্যুত হওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক সহায়তা কার্যক্রম ও রোগ প্রতিরোধ জোরদার করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

ইবোলার প্রাথমিক উপসর্গের মধ্যে রয়েছে হঠাৎ তীব্র জ্বর, শারীরিক দুর্বলতা, পেশিতে ব্যথা ও মাথাব্যথা। পরবর্তীতে বমি, ডায়রিয়া, যকৃৎ-কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস এবং অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক রক্তপাত দেখা দেয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সংক্রমণে মৃত্যু কমাতে চিকিৎসা ট্রায়াল চালুর পাশাপাশি কড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। ভাইরাসের স্পর্শ এড়িয়ে চলা, মাস্ক ও গ্লাভসসহ ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (PPE) ব্যবহার, বন্যপ্রাণীর মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকা এবং স্পর্শ ছাড়া দাফন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন গবেষকরা।

 

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।