Touch Bangladesh
ঢাকাশুক্রবার , ২১ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

জোনাকির জিনে রাতে আলো ছড়াবে গাছ

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
আগস্ট ২১, ২০২৬ ৪:৩৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি | জীবপ্রযুক্তি

জোনাকির জিনে আলো ছড়াবে গাছ: আসছে বিদ্যুতহীন ‘জীবন্ত বাতি’

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক | TouchBangladesh
২১ আগস্ট, ২০২৬

জোনাকি পোকার জিন ব্যবহার করে এমন এক উদ্ভাবন এনেছেন বিজ্ঞানীরা, যা রাতের আঁধারে জোনাকির মতোই আলো ছড়াতে পারে। জিনপ্রযুক্তি (Genetic Engineering) বা বায়োটেকনোলজির সুবাদে উদ্ভিদের কোষে আলো উৎপাদনকারী জিন যুক্ত করে তৈরি করা হচ্ছে এই বিশেষ জীবন্ত ‘গাছ-বাতি’। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে শহরের রাস্তার বাতি কিংবা ঘরের ভেতরের আলোর বিকল্প হিসেবে অনন্য ভূমিকা রাখবে এই প্রযুক্তি।

উদ্ভাবনের মূল দিকগুলো একনজরে

  • 🧬 প্রযুক্তি: জেনোটাইপ পরিবর্তনে জোনাকি পোকা ও বায়োলুমিনিসেন্ট ছত্রাকের জিন রূপান্তর।
  • বিদ্যুৎ সাশ্রয়: সম্পূর্ণ বাহ্যিক শক্তি ও বিদ্যুৎ সংযোগহীন স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা।
  • 🌱 পরিবেশবান্ধব: কার্বন নির্গমন কমিয়ে প্রাকৃতিক আলো সৃষ্টির পরিবেশ তৈরি।
  • 🏙️ ভবিষ্যৎ লক্ষ্য: স্মার্ট সিটির স্ট্রিট লাইটিং ও ইনডোর ডেকোরেশনের বিকল্প।

যেভাবে কাজ করবে এই বায়োলুমিনিসেন্ট প্রযুক্তি

জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে উদ্ভিদের ডিএনএ-তে কৃত্রিমভাবে সূক্ষ্ম পরিবর্তন আনা হয়। এ ক্ষেত্রে জোনাকি পোকা বা নির্দিষ্ট কিছু আলো উৎপাদনকারী ছত্রাক ও মাশরুমের ডিএনএ থেকে বায়োলুমিনিসেন্ট জিন সংগ্রহ করে উদ্ভিদের কোষে প্রবেশ করানো হয়। এই জিনটি গাছের অভ্যন্তরীণ প্রাকৃতিক বিপাকীয় প্রক্রিয়ার সাথে মিশে বিশেষ রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটায়, যার ফলে কোনো প্রকার বাইরের বিদ্যুৎ শক্তির সাহায্য ছাড়াই গাছটি নিজে থেকে আলো ছড়াতে সক্ষম হয়।

পরিবেশবান্ধব আলোর নতুন দিগন্ত

এই গবেষণার মূল উদ্দেশ্য হলো রাতের বেলা শহরের পথঘাট বা ঘরের চারপাশ প্রাকৃতিকভাবে আলোকিত করা। এর ফলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ অপচয় ও খরচ বাঁচবে এবং কার্বন নিঃসরণ কমে পরিবেশের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি বাস্তবায়ন হলে রাতের নগর সৌন্দর্য ও জ্বালানি নিরাপত্তায় ব্যাপক বিপ্লব আসবে।

একনজরে: জেনোটিক গাছ-বাতি বনাম প্রচলিত আলো

সূচক বিস্তারিত তথ্য
মূল প্রযুক্তি জিন প্রকৌশল ও বায়োলুমিনিসেন্স (Bioluminescence)
শক্তি উৎস সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক / উদ্ভিদের বিপাকীয় বিক্রিয়া
প্রাথমিক ডিএনএ উৎস জোনাকি পোকা ও আলোক সৃষ্টিকারী মাশরুম/ছত্রাক
ব্যবহারের ক্ষেত্র রাস্তার বাতি, নাইট-লাইটিং ও বাসাবাড়ির প্রসাধন

ভবিষ্যতের স্মার্ট সিটি ও পরিবেশ রক্ষা

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট নিরসনে কৃত্রিম আলোর বিকল্প হিসেবে বায়ো-লুমিনিসেন্ট প্ল্যান্ট একটি বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। বিজ্ঞানীরা এখন এই উদ্ভিদের আলোক তীব্রতা ও স্থায়িত্ব আরও বাড়ানোর জন্য কাজ করছেন, যা ভবিষ্যতে আমাদের বিদ্যুৎ নির্ভরতা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।