Touch Bangladesh
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ভারতজুড়ে নতুন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সিজেপির

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ১:১৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

ভারতজুড়ে নতুন করে আন্দোলন শুরুর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির বিরোধী দল কংগ্রেস ও ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছে তারা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু করবে।

একই সঙ্গে দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসও ঘোষণা দিয়েছে, শুক্রবার ভারতের সব রাজ্যের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করা হবে। জ্ঞানেশ কুমারের গ্রেপ্তার, তাকে পদ থেকে অপসারণ এবং তার আমলে নেওয়া সব সিদ্ধান্ত ও ভোটার তালিকার পরিবর্তন স্বাধীনভাবে পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছে দলটি।

এর একদিন আগে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে ভারতের নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে মতপার্থক্যের কথা তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার অন্তত ১৪ বার বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এর বেশিরভাগই গত বছর শুরু হওয়া ভোটার তালিকা হালনাগাদের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এসব বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে তাদের মতপার্থক্য তৈরি হয়।

তবে ভারতের নির্বাচন কমিশন বলেছে, যেকোনো প্রতিষ্ঠানে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। তাদের সব কার্যক্রম আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানায় কমিশন।

প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরে ভারতের বিরোধী দলগুলো নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমের সমালোচনা করে আসছে। তাদের অভিযোগ, বিজেপিকে সুবিধা দিতে কোনো ধরনের সতর্কতা ছাড়াই লাখ লাখ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং যাচাই ছাড়াই নতুন ভোটারদের নাম যুক্ত করা হয়েছে। তবে বিজেপি এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ নিয়েছে।

বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, ভারতের নির্বাচন কমিশনসহ কোনো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানই ‘স্বৈরাচারী শাসনের’ অধীনে নয় এবং প্রতিষ্ঠানগুলো গণতান্ত্রিকভাবে কাজ করছে।

এর আগে জুলাইয়ে যুব বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছিল তেলাপোকারা অর্থাৎ সিজেপি।
ওই আন্দোলনের পর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ভারতের শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করেন, যা ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর তার সরকারের অন্যতম বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হয়।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।