Touch Bangladesh
ঢাকাসোমবার , ২ নভেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

রাজবাড়ীতে অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্সের কারাদণ্ডের নির্দেশ

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
নভেম্বর ২, ২০২৬ ১:৫৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

রাজবাড়ীতে স্বামীর করা অর্থ আত্মসাতের মামলায় মোছা. তানিয়া খাতুন (২২) নামে এক নার্সকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২ নভেম্বর) রাজবাড়ী সদর আমলী আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হায়দার আলী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শেখ মো. মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তানিয়া খাতুন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার খালকুলা গ্রামের মোহন মল্লিকের মেয়ে। তিনি স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ী সদর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে পারিবারিক সম্মতিতে তানিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় তানিয়াকে স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন উপহারসামগ্রী দেওয়া হয়েছিল বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর ব্যাংকে জমা রাখার জন্য স্ত্রী তানিয়ার কাছে ছয় লাখ টাকা দেন সাখাওয়াত হোসেন। তবে ওই টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে তানিয়া নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি সাখাওয়াত হোসেন রাজবাড়ী সদর আমলী আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি তদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযোগের সত্যতা রয়েছে উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর তানিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

পরে আদালতে হাজির হয়ে আপসের শর্তে জামিন পান তানিয়া। তবে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা না হওয়ায় সোমবার নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির হয়ে আবারও জামিনের আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে বিচারক তার আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে স্বামী সাখাওয়াত হোসেনের করা যৌতুক নিরোধ আইনের একটি মামলায়ও কারাগারে যেতে হয়েছিল তানিয়াকে। ওই মামলায় ১৬ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান তিনি।

মামলার বাদী সাখাওয়াত হোসেনের দাবি, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে তাকে বিভিন্ন ধরনের অশান্তি ও মানসিক নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে। পারিবারিক ও সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

তিনি বলেন, সুন্দর একটি সংসারের স্বপ্ন নিয়ে বিয়ে করেছিলেন। আদালতের ওপর তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং তিনি ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শেখ মো. মেহেদী হাসান বলেন, মামলাটি তদন্তের পর আদালত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। পরে আপসের শর্তে জামিন দেওয়া হয়। দুই পক্ষের আইনজীবীদের মাধ্যমে একাধিকবার সমঝোতার চেষ্টা করা হয়েছে। লিগ্যাল এইডের মাধ্যমেও বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

তার ভাষ্য, তানিয়া বাদীর সঙ্গে সংসার করতে রাজি না হওয়ায় এবং সমঝোতা কার্যকর না হওয়ায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে তানিয়া খাতুন বা তার আইনজীবীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।