![]()
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে দুটি বড় কাতল ও একটি বাঘাইর মাছ। মাছ তিনটির মোট ওজন ৭২ কেজি। পরে উন্মুক্ত নিলাম ও পুনরায় বিক্রির মাধ্যমে মাছ তিনটি কিনে নেন কাতারপ্রবাসী এক ব্যক্তি। সব মিলিয়ে মাছগুলোর বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের অদূরে পদ্মা নদীতে জেলে সেকেন সরদারের জালে মাছ তিনটি ধরা পড়ে। পরে মাছগুলো দৌলতদিয়া ঘাটের শিপন মণ্ডলের মৎস্য আড়তে নেওয়া হয়। সেখানে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো বিক্রি করা হয়।
জানা গেছে, সোমবার সকালে জেলেদের নিয়ে পদ্মা নদীতে মাছ শিকারে যান সেকেন সরদার। দীর্ঘ সময় পর জাল তুলতেই এতে দুটি বড় কাতল ও একটি বাঘাইর মাছ দেখতে পান তাঁরা।
পরে মাছগুলো আড়তে এনে ওজন করে দেখা যায়, বাঘাইরটির ওজন ২৫ কেজি। অন্যদিকে, দুটি কাতলের ওজন যথাক্রমে ২৫ ও ২২ কেজি। অর্থাৎ মাছ তিনটির মোট ওজন ৭২ কেজি।
স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ উন্মুক্ত নিলামে মাছ তিনটি কিনে নেন। তিনি ২৫ কেজি ওজনের কাতলটি প্রতি কেজি ২ হাজার ৩০০ টাকা দরে ৫৭ হাজার ৫০০ টাকায় এবং ২২ কেজি ওজনের কাতলটি ৫০ হাজার ৬০০ টাকায় কেনেন। এ ছাড়া ২৫ কেজি ওজনের বাঘাইরটি প্রতি কেজি ১ হাজার ৬০০ টাকা দরে কেনেন ৪০ হাজার টাকায়। সব মিলিয়ে মাছ তিনটি কিনতে তাঁর খরচ হয় ১ লাখ ৪৮ হাজার ১০০ টাকা।
পরে মাছ তিনটির ছবি ও ভিডিও অনলাইনে প্রকাশ করে বিক্রির উদ্যোগ নেন তিনি। সেগুলো দেখে কাতারপ্রবাসী এক ব্যক্তি মাছগুলো কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে কাতল দুটি প্রতি কেজি ২ হাজার ৫০০ টাকা দরে মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় এবং বাঘাইরটি প্রতি কেজি ১ হাজার ৭০০ টাকা দরে ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
এতে মাছ তিনটির মোট বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা।
আড়তদার শিপন মণ্ডল বলেন, সকালে জেলে সেকেন সরদার মাছগুলো নিয়ে তাঁর আড়তে আসেন। পরে মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে সেগুলো কিনে নেন।
