Touch Bangladesh
ঢাকাশনিবার , ৭ নভেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

৮ বছর নারীর ছদ্মবেশে, শেষ পর্যন্ত যেভাবে ধরা পড়লেন!

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
নভেম্বর ৭, ২০২৬ ৩:০৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

তিন বছরের কারাদণ্ড এড়াতে টানা আট বছর নারীর ছদ্মবেশে কাটিয়েছেন তুরস্কের এক ব্যক্তি। নিজের চেহারা ও পরিচয় বদলে বোনের পরিচয়ে বসবাস করছিলেন তিনি। তবে দীর্ঘদিন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে পারলেও শেষ পর্যন্ত আঙুলের ছাপ পরীক্ষায় ধরা পড়ে যান ওই ব্যক্তি।

তার নাম তুঘরুল বাশার। ডাকাতির তিনটি ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১০ সালে তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে কারাগারে যাওয়া এড়াতে ২০১৮ সাল থেকে আত্মগোপনে চলে যান তিনি। এরপর থেকেই তাকে খুঁজছিল পুলিশ।

সম্প্রতি তুরস্কের ইস্তাম্বুলের কাদিকয় এলাকায় পলাতক আসামিদের ধরতে বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। ওই অভিযানের সময় বাশারকে আটক করা হয়। কিন্তু তার চেহারায় ব্যাপক পরিবর্তন আসায় প্রথমে তাকে শনাক্ত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

যেভাবে সন্দেহের তালিকায় আসেন

তদন্তকারীদের নজরে আসে, বাশারের বোনের বাড়িতে একই পরিচয়ে দুই তরুণীর যাতায়াত রয়েছে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাদের ওপর নজরদারি শুরু করেন পুলিশ সদস্যরা।

পরে আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে আসল পরিচয়। পুলিশ নিশ্চিত হয়, ওই দুই নারীর একজন আসলে পলাতক আসামি তুঘরুল বাশার।

গ্রেফতারের সময় তার কাছে বোনের পরিচয়পত্রও পাওয়া যায়। আঙুলের ছাপ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।

চেহারায় পরিবর্তন, রহস্যের অবসান হয়নি

দীর্ঘদিন নারীর ছদ্মবেশে থাকার কারণে বাশারের চেহারায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছিল। ফলে আগের ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

তবে তিনি মেকআপ ও পোশাকের মাধ্যমে ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন, নাকি লিঙ্গ পরিবর্তন করেছিলেন—এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

তুরস্কের সিভিল রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থায় তার নাম বা লিঙ্গ পরিবর্তনের কোনো নথি না থাকায় তাকে পুরুষ হিসেবেই কারাগারে পাঠানো হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, আট বছর ধরে পরিচয় গোপন রেখে পুলিশের চোখ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত প্রযুক্তিগত শনাক্তকরণের কাছে ধরা পড়তে হলো তুঘরুল বাশারকে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।