![]()
নিউজ প্রোভাইডার
দীর্ঘ দুই বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পুনরায় ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করার ঘোষণা দিয়েছে ভারত সরকার। আগামী ২৮ জুন থেকে নতুন নিয়মে ভিসা আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা প্রদান করা হবে। দেশের ৫টি প্রধান কেন্দ্র—ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট এবং খুলনার মাধ্যমে এই ভিসা কার্যক্রম পরিচালিত হবে.
ভারতীয় ভিসার বিভিন্ন ক্যাটাগরি
বাংলাদেশি ভ্রমণপিপাসু ও সাধারণ নাগরিকদের সুবিধার্থে ভারত বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে ভিসা দিয়ে থাকে:
-
ট্যুরিস্ট ভিসা: সাধারণ ভ্রমণ কিংবা ভারতে অবস্থানরত আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করার জন্য এই ভিসা দেওয়া হয়। বিশেষ সুবিধায় ৬৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিকদের জন্য ৫ বছর মেয়াদি দীর্ঘমেয়াদী ট্যুরিস্ট ভিসা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
-
মেডিকেল ভিসা: উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যেতে ইচ্ছুকদের এই ভিসা দেওয়া হয় এবং রোগীর সাথে একজন সহায়তাকারী বা অ্যাটেনডেন্টও মেডিকেল অ্যাটেনডেন্ট ভিসা পাবেন।
-
বিজনেস ও স্টুডেন্ট ভিসা: ব্যবসায়িক কাজে যাতায়াতের জন্য বিজনেস ভিসা এবং ভারতে উচ্চশিক্ষার জন্য স্টুডেন্ট ভিসা দেওয়া হয়ে থাকে।
আবেদনের ধাপসমূহ
১. অনলাইন ফরম: আগ্রহীদের প্রথমেই ভারতীয় ভিসা অ্যাপ্লিকেশনের অফিশিয়াল পোর্টালে গিয়ে নির্ভুলভাবে অনলাইন ফরম পূরণ করতে হবে।
২. স্লট বুকিং: ফরম পূরণ শেষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য অনলাইনে নির্দিষ্ট তারিখ ও সময় (অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট) বুক করতে হবে।
৩. নথি জমা: নির্ধারিত দিনে প্রিন্ট করা আবেদনপত্র, ছবি, মূল পাসপোর্ট ও অন্যান্য নথিপত্র নিয়ে নিকটস্থ ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে (IVAC) সশরীরে হাজির হতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র
আবেদনের সময় যেসব কাগজপত্র সাথে রাখতে হবে:
-
কমপক্ষে ৬ মাসের মেয়াদসহ মূল পাসপোর্ট।
-
সম্প্রতি তোলা ২×২ (2×2) ইঞ্চি সাইজের ল্যাব প্রিন্ট রঙিন ছবি।
-
ভ্রমণের খরচ বহনের প্রমাণ হিসেবে হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা পাসপোর্টে ডলার এনডোর্সমেন্ট।
-
পেশাগত প্রমাণপত্র (চাকরিজীবীদের জন্য এনওসি বা নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট এবং ব্যবসায়ীদের জন্য হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স)।
