Touch Bangladesh
ঢাকাবুধবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

মানুষের চেয়ে ৪ গুণ তীক্ষ্ণ: ঈগলের দৃষ্টিশক্তির রহস্য

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ ৪:০৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

ঈগলের দৃষ্টিশক্তি প্রকৃতিজগতের অন্যতম এক বিস্ময়। মানুষের যেখানে স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ২০/২০ ধরা হয়, সেখানে ঈগলের দৃষ্টিশক্তি প্রায় ২০/৫ বলে ধারণা করা হয়। অর্থাৎ, মানুষ ২০ ফুট দূর থেকে যা দেখতে পায়, একটি ইগল তা প্রায় ৮০০ ফুট দূর থেকেও একই রকম স্পষ্ট দেখতে সক্ষম। শিকারি এই পাখির চোখের অনন্য গঠনের কারণেই তারা আকাশের অনেক ওপর থেকেও মাটিতে থাকা ছোট শিকার সহজেই শনাক্ত করতে পারে।

ঈগলের চোখের প্রধান বায়োলজিক্যাল বৈশিষ্ট্য

  • 🦅 অসাধারণ দৃষ্টিসীমা: মানুষের স্বাভাবিক দৃষ্টির তুলনায় প্রায় চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি দূরদর্শী (২০/৫ মান)।
  • 👁️ পেকটেন ওকিউলাই (Pecten Oculi): একটি ভাঁজযুক্ত ও উচ্চ রক্তনালীসমৃদ্ধ অঙ্গ যা রেটিনায় প্রয়োজনীয় উপাদান ও পুষ্টি জোগায়।
  • 🚫 দৃষ্টির বাধা দূরীকরণ: পেকটেন থাকার কারণে রেটিনায় অতিরিক্ত রক্তনালীর প্রয়োজন হয় না, যা দৃষ্টি স্বচ্ছ রাখতে সাহায্য করে।
  • 🎯 গভীর ফোভিয়া ও ঘন রেটিনা: অত্যন্ত নিপুণ ও তীক্ষ্ণ দূরদৃষ্টি অর্জনে প্রধান ভূমিকা পালন করে।

‘পেকটেন ওকিউলাই’: দৃষ্টিশক্তি স্বচ্ছ রাখার প্রাকৃতিক অঙ্গ

ঈগলের চোখের ভেতরে ‘পেকটেন ওকিউলাই’ (Pecten Oculi) নামক একটি বিশেষ বায়োলজিক্যাল গঠন থাকে। এটি মূলত একটি ভাঁজযুক্ত এবং প্রচুর রক্তনালী সমৃদ্ধ অঙ্গ। মানুষের চোখে রেটিনার ওপরে যেসব রক্তনালী থাকে, তা অনেক সময় দৃষ্টিসীমায় সামান্য বাধার সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু ইগলের ক্ষেত্রে এই পেকটেন ওকিউলাই রেটিনায় পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করে, যার ফলে রেটিনার ওপর রক্তনালী থেকে দৃষ্টিক্ষেত্রে কোনো প্রকার ছায়া বা বাধা সৃষ্টির সম্ভাবনা একবারে কমে যায়।

ঘন রেটিনা ও গভীর ফোভিয়ার মেলবন্ধন

পেকটেন ওকিউলাইয়ের পাশাপাশি ঈগলের রয়েছে অত্যন্ত ঘন রেটিনা এবং অতিরিক্ত গভীর ‘ফোভিয়া’ (Fovea)। চোখে আলো প্রবেশ করার পর এই গভীর ফোভিয়া আলো ও প্রতিচ্ছবিকে টেলিফোটো লেন্সের মতো বিবর্ধিত বা জুম করে রেটিনায় উপস্থাপন করতে পারে। ঘন রেটিনা এবং গভীর ফোভিয়ার যৌথ কার্যকারিতার কারণেই ঈগল আকাশ থেকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তার শিকার চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়।

মানুষ বনাম ঈগলের দৃষ্টিশক্তির তুলনা

বৈশিষ্ট্য মানুষ ঈগল
দৃষ্টিশক্তির মান (Acuity) ২০/২০ (মান) ২০/৫ (অত্যন্ত তীক্ষ্ণ)
বিশেষ অঙ্গ (Pecten Oculi) অনুপস্থিত উপস্থিত (রেটিনার পুষ্টি জোগায়)
রেটিনার গঠন সাধারণ ঘনত্ব অত্যন্ত ঘন ও সমৃদ্ধ
ফোভিয়ার ধরণ (Fovea) সাধারণ সমতল অত্যন্ত গভীর ও নিখুঁত জুম ক্ষমতা সম্পন্ন

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।