Touch Bangladesh
ঢাকাসোমবার , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

৪৮ বছর পর ২০২৬ সালেও সচল ভয়েজার ১, নিয়মিত পাঠাচ্ছে তথ্য

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ৪:১৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

হাশূণ্যে মানুষের সর্বাধিক দূরে পৌঁছানো বস্তু ‘ভয়েজার ১’ (Voyager 1)। ১৯৭৭ সালে উৎক্ষেপণের পর প্রায় ৪৮ বছর ধরে মহাকাশের অসীম শূন্যতা পাড়ি দিয়ে এটি ইতোমধ্যেই সৌরজগতের সীমানা অতিক্রম করে আন্তঃনাক্ষত্রিক স্থানে (Interstellar Space) প্রবেশ করেছে। পৃথিবী থেকে ২২ বিলিয়ন কিলোমিটারের বেশি দূরে অবস্থান করলেও সত্তরের দশকের অসাধারণ গাণিতিক ও প্রকৌশল দক্ষতার জোরে এটি আজও পৃথিবীতে নিখুঁতভাবে সিগন্যাল পাঠিয়ে যাচ্ছে।

ভয়েজার ১-এর বিস্ময়কর মাইলফলকসমূহ

  • 🚀 মহাশূন্যের দূরতম পথিক: পৃথিবী থেকে ২২ বিলিয়ন কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে অবস্থান করছে ভয়েজার ১।
  • 📡 অচল অ্যান্টেনা দিকরেখা: ১৯৮০ সাল থেকে এর উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ডিশ অ্যান্টেনা পৃথিবীর অভিমুখে এক চুলও বিচ্যুত হয়নি।
  • 🛰️ টিসিএম (TCM) থ্রাস্টার প্রযুক্তির কেরামতি: মহাজাগতিক ধূলিকণা বা উল্কাপাতের ধাক্কায় দিক পরিবর্তনের ঝুঁকি কাটাতে এতে রয়েছে ট্র্যাজেক্টরি করেকশন ম্যানুভার থ্রাস্টার।
  • 💡 ৩৭ বছর পর পুনর্জীবন: ১৯৮০ সালের পর দীর্ঘ ৩৭ বছর অলস পড়ে থাকার পর ২০১৭ সালে পরীক্ষায় আবারও সচল প্রমাণিত হয় এর ব্যাকআপ থ্রাস্টারগুলো।

সত্তরের দশকের প্রকৌশল ও অটুট অ্যান্টেনা সংযোগ

গভীর মহাশূন্যে প্রচণ্ড গতিতে ছুটে চলার সময় ছোট ছোট ধূলিকণা বা উল্কার সাথে সামান্য ঘর্ষণ বা ধাক্কা লাগলেও স্পেসক্রাফটের দিক পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে। এতে অ্যান্টেনাও পৃথিবীর দিক থেকে ঘুরে গিয়ে যোগাযোগের পথ চিরতরে বিচ্ছিন্ন হতে পারত। কিন্তু ১৯৭০-এর দশকের বিজ্ঞানীরা এমন এক গাণিতিক সূক্ষ্মতায় এটি নকশা করেছিলেন যে, ১৯৮০ সালের পর থেকে আর কখনো এর মূল অ্যান্টেনা পৃথিবীর দিক থেকে ঘুরে যায়নি, যা প্রকৌশল বিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম বড় এক বিস্ময়।

ট্র্যাজেক্টরি করেকশন ম্যানুভার ও থ্রাস্টারের অবিশ্বাস্য টেকসইত্ব

গতিপথ সামঞ্জস্য রাখতে ভয়েজার ১-এ ছোট ছোট ‘ট্র্যাজেক্টরি করেকশন ম্যানুভার’ (টিসিএম) থ্রাস্টার ব্যবহার করা হয়। ১৯৮০ শনি গ্রহ অতিক্রমের পর থেকে এর এই বিশেষ থ্রাস্টারগুলো আর ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়েনি। তবে ২০১৭ সালে নাসার প্রকৌশলীরা যখন প্রায় ৩৭ বছর পর থ্রাস্টারগুলো সচল করার পরীক্ষা করেন, তখন দেখা যায় থ্রাস্টারগুলো বিন্দুমাত্র ত্রুটি ছাড়াই কাজ করছে! এই দীর্ঘ স্থায়িত্ব ও কার্যক্ষমতা মানব সভ্যতার প্রযুক্তির পরাকাষ্ঠা তুলে ধরে।

ভয়েজার ১ মহাকাশযানের সার্বিক পরিচিতি

সূচক / বিষয় তথ্য ও বিবরণ
উৎক্ষেপণের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৭
বর্তমান অবস্থান ও দূরত্ব সৌরজগতের বাইরে (Interstellar Space), ২২+ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরে
অ্যান্টেনা সংযোগ স্থায়িত্ব ১৯৮০ সাল থেকে অবিকল পৃথিবীর দিকে মুখ করে স্থিতিশীল
থ্রাস্টার প্রযুক্তির নাম ট্র্যাজেক্টরি করেকশন ম্যানুভার (TCM)
টিসিএম থ্রাস্টার পরীক্ষা ৩৭ বছর বন্ধ থাকার পর ২০১৭ সালে পরীক্ষায় শতভাগ সফল সচলতা

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।