Touch Bangladesh
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ৬:৩৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

ইউরোপ ও আমেরিকার মতো ঐতিহ্যবাহী বা প্রচলিত বাজারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিশ্বজুড়ে পোশাক রপ্তানির পরিধি বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আগস্টে অপ্রচলিত বা নতুন বাজারগুলোতে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে। এই এক মাসেই দেশগুলোতে রপ্তানি হয়েছে ৬৪২ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পোশাক, যা একক কোনো মাসে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সাম্প্রতিক তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত দুই বছরের স্থবিরতা কাটিয়ে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই নতুন বাজারগুলোতে পোশাক পাঠানোর গতি বেড়েছে।

পরিসংখ্যান কী বলছে?

গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের গড় মাসিক রপ্তানি ছিল ৫৭৪ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেই সেই গড় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১১ দশমিক ৬০ মিলিয়ন ডলারে।

একই সাথে দেশের মোট পোশাক রপ্তানিতে নতুন বাজারগুলোর অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে:

  • গত অর্থবছর (২০২৫-২৬): মোট পোশাক রপ্তানির ১৫.৯৩ শতাংশ এসেছিল অপ্রচলিত বাজার থেকে।

  • চলতি অর্থবছর (২০২৬-২৭): এই হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬.৩২ শতাংশে।

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল বিবিসিকে জানান, নতুন এই বাজারগুলোতে বাংলাদেশের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। “অপ্রচলিত বাজার মানেই যে শুধু দামি পোশাকের বাজার—তা নয়। সব মিলিয়ে এসব দেশে শত শত বিলিয়ন ডলারের পোশাকের চাহিদা রয়েছে। এবার সময় এসেছে সুনির্দিষ্ট কৌশল নিয়ে এসব বাজার দখলের,” বলেন তিনি।

শীর্ষ ১০টি নতুন গন্তব্য

ইপিবির আগস্ট মাসের তথ্য অনুযায়ী, অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় গন্তব্য ছিল জাপান। আগস্টে শীর্ষ কয়েকটি দেশে পোশাক রপ্তানির চিত্র নিচে দেওয়া হলো:

দেশের নাম রপ্তানির পরিমাণ (মিলিয়ন মার্কিন ডলার)
জাপান ১১৮.৬৭
অস্ট্রেলিয়া ৭৫.১৪
ভারত ৭২.৭৮
তুরস্ক ৫৯.৫৭
দক্ষিণ কোরিয়া ৪৫.১৫
মেক্সিকো ৩২.৯৭
সংযুক্ত আরব আমিরাত ২৮.৬২
ব্রাজিল ২৪.২৪
চীন ২০.৭০
সৌদি আরব ১৯.২৫

এছাড়া মালয়েশিয়া (১৫.৯৮ মিলিয়ন), চিলি (১৩.১৫ মিলিয়ন), দক্ষিণ আফ্রিকা (১৩.১০ মিলিয়ন), রাশিয়া (৯.৭৯ মিলিয়ন) এবং নিউজিল্যান্ডে (৮.৬১ মিলিয়ন) উল্লেখযোগ্য পরিমাণে তৈরি পোশাক পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য ছোট-বড় নতুন বাজারে রপ্তানি হয়েছে আরও ৮৫.২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য।

বাজার বহুমুখীকরণের তাগিদ

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে বিশ্বের সব দেশ মিলিয়ে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ৩ হাজার ৬০৮ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে একাই ৬৪২.৯৩ মিলিয়ন ডলারের যোগান দিয়েছে অপ্রচলিত বাজারগুলো।

বিশ্ববাজারের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক মন্দা ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে একক কোনো অঞ্চলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানোকে ইতিবাচক হিসেব দেখছেন অর্থনীতিবিদরা। আগস্টের এই রেকর্ড এবং প্রতিনিয়ত নতুন বাজারে প্রবেশের প্রবণতা বাংলাদেশের পোশাক খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করে তুলেছে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।