Touch Bangladesh
ঢাকাশুক্রবার , ৯ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

মানসিক স্বাস্থ্য উপেক্ষার সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
অক্টোবর ৯, ২০২৬ ২:৪৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

দৃশ্যত সুস্থ থাকাই প্রকৃত স্বাস্থ্য নয়; বরং শারীরিক, মানসিক, আত্মিক ও সামাজিকভাবে ভালো থাকার নামই স্বাস্থ্য। তাই মানসিক স্বাস্থ্যকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আগামীকাল ১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’। এ প্রতিপাদ্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের নিজস্ব অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হবে।

তারেক রহমান বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য কেবল চিকিৎসার বিষয় নয়; এটি মানুষের মর্যাদা, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সামগ্রিক কল্যাণের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। মানসিক অসুস্থতা নিয়ে ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত কাউকে অবহেলা বা বিচ্ছিন্ন না করে তাঁর কথা শুনতে হবে, পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি, সামাজিক নিরাপত্তা ও জীবনমানের উন্নয়ন সমান গুরুত্ব পাবে। এ লক্ষ্যে উপজেলা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানো, দক্ষ জনবল তৈরি, কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কাউন্সেলিং সেবা সম্প্রসারণে কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় ভুগলেও সামাজিক সংকোচ, সচেতনতার অভাব, সীমিত চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় জনবলের ঘাটতির কারণে অনেকে যথাযথ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা, গুণগত মান ও সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সেবা পৌঁছে দিতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সমন্বিত রেফারেল ব্যবস্থা এবং টেলি-কাউন্সেলিং সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ, সরকারি হাসপাতালগুলোতে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি গর্ভবতী মা, শিশু-কিশোর এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তরিকতার সঙ্গে মানুষের কথা শুনতে হবে, সহমর্মিতার সঙ্গে পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সমাজের সর্বস্তরে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

তিনি আরও বলেন, সরকার, স্বাস্থ্য পেশাজীবী, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব, যেখানে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে কেউ সংকোচ বোধ করবে না, সহায়তা চাইতে লজ্জিত হবে না কিংবা নিজেকে একা মনে করবে না।

বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী ‘বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’-এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন এবং দেশ-বিদেশের সবার সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।