![]()
নিউজ প্রোভাইডার
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। রূপালি পর্দায় তাঁর অভিষেকের পর কেটে গেছে বহু বছর, তবে তাঁর রূপ ও সৌন্দর্যে একটুও ভাটা পড়েনি। বয়স ৪৫ বছর পার করলেও গ্ল্যামার আর সতেজতায় তিনি এখনও টেক্কা দিতে পারেন যেকোনো নতুন নায়িকাকে। ঢালিউডের এই বিউটি কুইনের ক্ষেত্রে সময় যেন থমকে গেছে এক জায়গায়! কিন্তু কী তাঁর এই চিরতরুণী ও সতেজ থাকার মূল চাবিকাঠি?
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর রূপের রহস্য নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন পূর্ণিমা। তাঁর সেই চিরসবুজ রূপ ও ধরে রাখা সৌন্দর্যের প্রধান ৪টি কারণ নিচে তুলে ধরা হলো:
১. ইতিবাচক ও প্রফুল্ল মানসিকতা (মনের বয়সই আসল)
পূর্ণিমার মতে, চিরতরুণ থাকার সবচেয়ে বড় ওষুধ হলো মনের ভেতরের আনন্দ। তিনি সবসময় নিজেকে দুশ্চিন্তামুক্ত ও হাসিখুশি রাখার চেষ্টা করেন। নিজের বয়স ধরে রাখা নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, “তখনও ছোট ছিলাম, এখনও ছোট আছি।” মনের বয়সকে সবসময় তরুণ রাখাই তাঁকে ভেতর থেকে সতেজ রাখে।
২. পরিমিত ও স্বাস্থ্যকর ডায়েট (ভাজাপোড়াকে ‘না’)
বাইরের চোখধাঁধানো রূপের পেছনে বড় ভূমিকা রাখে সঠিক খাদ্যাভ্যাস। পূর্ণিমা তাঁর খাদ্যতালিকায় অতিরিক্ত তৈলাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার একেবারেই রাখেন না। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করেন, যা তাঁর ত্বককে ভেতর থেকে হাইড্রেটেড রাখে। এছাড়া তাঁর প্রতিদিনের ডায়েটে প্রচুর পরিমাণে তাজা ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি থাকে।
৩. নিয়মিত স্কিনকেয়ার রুটিন (ভারী মেকআপকে বিদায়)
পর্দায় কিংবা শুটিংয়ের প্রয়োজনে ভারী মেকআপ নিতে হলেও, বাস্তব জীবনে পূর্ণিমা এর উল্টো। শুটিং বা বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া তিনি সাধারণত ভারী মেকআপ পুরোপুরি এড়িয়ে চলেন। ত্বক পরিষ্কার রাখা এবং রাতে ঘুমানোর আগে ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ও দিনের বেলা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা তাঁর প্রতিদিনের অবধারিত রুটিন।
৪. পর্যাপ্ত ঘুম ও সুশৃঙ্খল জীবনযাত্রা
অভিনয় জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের ঘুম আর বিশ্রামের সাথে কোনো আপস করেন না এই অভিনেত্রী। প্রতিদিন নিয়ম মেনে গভীর ঘুম নিশ্চিত করা তাঁর সতেজতার অন্যতম কারণ। একই সাথে তিনি তাঁর পরিবার ও ক্যারিয়ারের মধ্যে একটি সুন্দর ভারসাম্য বজায় রেখে চলেন। নিজেকে ফিট রাখতে জিমে গিয়ে ভারী ব্যায়াম না করলেও নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও শারীরিক সক্রিয়তা বজায় রাখেন তিনি।
নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস আর ইতিবাচক ভাবনাই যে একজন মানুষকে চিরসবুজ রাখতে পারে—ঢালিউড কন্যা পূর্ণিমা তারই এক জাজ্বল্যমান প্রমাণ।
