![]()
কুয়েত সরকারের না নেওয়া ১৫ টন গলদা ও রূপচাঁদা বিক্রিতে টিসিবির পুনর্নিলাম
কুয়েত সরকারকে উপহার দেওয়ার জন্য কেনা উচ্চমানের বিপুল পরিমাণ গলদা চিংড়ি ও রূপচাঁদা মাছ অবিক্রীত থাকায় আবারও নিলামের ডাক দিয়েছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। ফ্লাইটের জটিলতা ও পচনশীলতার কারণে কুয়েত সরকার এগুলো গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করায় সরকারের কাছে আটকে পড়েছিল ১০ টন গলদা ও ৫ টন রূপচাঁদা।
- 🎁 মূল পটভূমি: গত এপ্রিলে কুয়েত সরকারের উপহার হিসেবে চালের সাথে ২০ টন মাছ কেনা হয়েছিল। কুয়েত চাল নিলেও বাণিজ্যিকভাবে মাংশের পচনশীলতার দোহাই দিয়ে মাছ নেয়নি।
- 🍤 আংশিক সাফল্য: প্রথম দফায় ডাকা নিলামে খুলনার একটি প্রতিষ্ঠান ৫ টন বাগদা চিংড়ি কিনে নিলেও বাকি ১০ টন গলদা ও ৫ টন রূপচাঁদা অবিক্রীত থেকে যায়।
- ⏰ আবেদনের সময়সীমা: আগ্রহী ক্রেতাদের ১৫ সেপ্টেম্বর বেলা ১২:৩০টার মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম বা খুলনার টিসিবি কার্যালয়ে পে-অর্ডারসহ দরপত্র জমা দিতে হবে।
- 🔍 স্যাম্পল দেখার সুযোগ: ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর খুলনার বাটিয়াঘাটার ট্রাস্ট সি-ফুড প্ল্যান্টে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে মাছের নমুনা দেখা যাবে।
উপহারের চাল গেলেও আটকে পড়েছিল ২০ টন মাছ
টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বন্ধুপ্রতীম কুয়েতকে চাল ও প্রসেসড সামুদ্রিক মাছ উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে গত এপ্রিলে পণ্য নেওয়ার সময় কুয়েত সরকার তাদের নিজস্ব ফ্লাইটে চাল পরিবহন করলেও মাছ পচনশীল পণ্য হওয়ার কারণে বাণিজ্যিক বিমানে নিতে অনীহা প্রকাশ করে। পরবর্তীতে ৫ মাস প্রক্রিয়াজাত সংরক্ষণাগারে রাখার পর আগস্ট মাসে টিসিবি ১ম দফায় খোলা নিলামের ডাক দেয়।
নিলামে অংশগ্রহণের শর্তাবলি ও নিয়মকানুন
ক্রেতাদের সর্বনিম্ন ৫০০ কেজির জন্য আলাদা আলাদাভাবে গলদা ও রূপচাঁদার দর প্রস্তাব করতে হবে। দরপত্রের সাথে টিসিবির অনুকূলে সর্বনিম্ন ১৫,০০০ টাকার ফেরতযোগ্য জামানত পে-অর্ডার হিসেবে জমা রাখা বাধ্যতামূলক। চূড়ান্ত বিজয়ী ক্রেতাকে ১৫% ভ্যাট এবং ৫% আয়কর পরিশোধ সাপেক্ষে অর্থ জমার তিন দিনের মধ্যে নিজ খরচে মাছ খালাস করতে হবে।
টিসিবির পুনর্নিলামসংক্রান্ত গাইডলাইন
| শর্ত / সূচক | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| অবিক্রীত মাছের বিবরণ | ১০ টন গলদা চিংড়ি ও ৫ টন রূপচাঁদা |
| দরপত্র জমার শেষ সময় | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:৩০ টা |
| নমুনা পরিদর্শনের সময় ও স্থান | ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর (সকাল ১১টা-৩টা), ট্রাস্ট সি-ফুড, বাটিয়াঘাটা, খুলনা |
| ন্যূনতম ক্রয়সীমা ও কর | ন্যূনতম ৫০০ কেজি (প্রযোজ্য ১৫% ভ্যাট ও ৫% আয়কর) |
| জামানত (Pay-Order) | সর্বনিম্ন ১৫,০০০ টাকা ফেরতযোগ্য পে-অর্ডার |
