![]()
রাজনীতি
যশোর ও মুন্সিগঞ্জে ৫৮ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী আটক
যশোর ও মুন্সিগঞ্জে আওয়ামী লীগের ৫৮ জন নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। বর্তমানে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে।
যশোর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম আজ জানান, সোমবার রাতে জেলার নয়টি থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে কমপক্ষে ২৭ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়। অভিযানকালে মাদক, ক্রুড বোমার মতো বস্তু এবং বোমা তৈরির উপকরণও উদ্ধার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
জেলা পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, আটক ব্যক্তিরা জেলার বিভিন্ন এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন — এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
“আটকদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করা হয়েছে এবং আজ দুপুরে তাদের আদালতে তোলা হয়। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।” — মিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, যশোর
অন্যদিকে মুন্সিগঞ্জে ফ্ল্যাশ প্রসেসনের প্রস্তুতির অভিযোগে আজ ভোরে আওয়ামী লীগের ৩১ জন নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযানে তাদের বহনকারী তিনটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়।
মুন্সিগঞ্জ পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে বা জেলার কোনো সড়কে যেকোনো সময় ফ্ল্যাশ প্রসেসন বের করা হবে — এমন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে কয়েকটি চেকপোস্ট বসানো হয়।
রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার একটি দল নয়াগাঁও এলাকা থেকে একটি মাইক্রোবাস থেকে ১০ জন আওয়ামী লীগ কর্মীকে আটক করে। এরপর রাত ১টা ৪৫ মিনিটে হাতিমারা মোড় চেকপোস্ট থেকে আরেকটি মাইক্রোবাসসহ আরও ১১ জনকে আটক করা হয়।
এছাড়া শ্রীনগর থানার ছোনবাড়ি বাসস্ট্যান্ডের কাছে আরেকটি চেকপোস্ট অভিযানে রাত ২টার দিকে আরও ১০ জন আওয়ামী লীগ কর্মীকে একটি মাইক্রোবাস থেকে আটক করা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
পুলিশ দাবি করেছে, গাড়িগুলো থেকে মাস্ক এবং ‘নৌকায় ভোট দিন’ লেখা সম্বলিত বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তাসলিম উদ্দিন জানান, আটকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হবে এবং তাদের আদালতে তোলা হবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের পাঁচ থেকে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে বলে তিনি জানান।
