![]()
অর্থনীতি
পশ্চিম এশিয়া সংকট: দ্রুত জ্বালানি আমদানিতে টেন্ডার নিয়ম শিথিল করল বাংলাদেশ
দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ১২৫.৩৭ বিলিয়ন টাকা (১.১৪ বিলিয়ন ডলার) মূল্যের পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বছরের বাকি সাড়ে তিন মাসের চাহিদা মেটাতে এই জ্বালানি আমদানি করা হবে।
বুধবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চীনের ইউনিপেক ও পেট্রোচায়না এবং ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি থেকে সরকার-থেকে-সরকার (জিটুজি) চুক্তির অধীনে এই জ্বালানি কেনা হবে। এছাড়া, একই সময়ের জন্য অতিরিক্ত ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন গ্যাস অয়েল ও জেট ফুয়েল টেন্ডার ছাড়া কেনার অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
“হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় ছয় মাস ধরে কার্যত বন্ধ। এছাড়া বাব-এল-মান্দেব প্রণালীতে হুতিদের তৎপরতা নতুন ব্যাঘাত তৈরি করছে, ফলে বাংলাদেশকে উচ্চমূল্যে ও প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক টেন্ডার ছাড়াই অঞ্চলটির বাইরে থেকে জ্বালানি আনতে হচ্ছে।”
পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতজনিত জ্বালানি সরবরাহ সংকটের মধ্যেই এই অনুমোদন এলো। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় ছয় মাস ধরে কার্যত বন্ধ রয়েছে এবং বাব-এল-মান্দেব প্রণালীতে হুতিদের তৎপরতা নতুন ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। ফলে বাংলাদেশকে উচ্চমূল্যে ও প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক টেন্ডার ছাড়াই অঞ্চলটির বাইরে থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।
সরবরাহ ও মজুত কমে যাওয়ায় সরকার এর আগে ১৮ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টেন্ডার ছাড়া আমদানির অনুমোদন দিয়েছিল। শুধু আগস্ট মাসেই দুটি ধাপে ২২টি এলএনজি কার্গোসহ দেশীয় বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৫ হাজার টন এলপিজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়।
