Touch Bangladesh
ঢাকামঙ্গলবার , ৩০ জুন ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

বালিশের পর জেনারেটর! রূপপুরে ২৭ কোটির বিল ২১৪ কোটি!

প্রতিবেদক
Louis Daru
জুন ৩০, ২০২৬ ৫:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

এক্সক্লুসিভ অনিয়ম

বালিশ-কাণ্ডের পর এবার রূপপুরে ৮ গুণ দামের ধাক্কা! ২৭ কোটির জেনারেটর কেনা হলো ২১৪ কোটি টাকায়!

TouchBangladesh
৩০ জুন, ২০২৬

বালিশ ও ড্রেসিং টেবিল কেনার নামে অবিশ্বাস্য হরিলুটের রেশ কাটতে না কাটতেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে আরও এক চোখ কপালে তোলার মতো অনিয়মের তথ্য ফাঁস হয়েছে। এবার আবাসিক এলাকা ‘গ্রিন সিটি’র ১১টি ভবনের বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম ও জেনারেটর কেনাকাটায় বড় ধরনের দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয়। যে যন্ত্রপাতির প্রকৃত সরকারি দর ছিল মাত্র ২৭ কোটি টাকা, সেটির জন্য বিল পরিশোধ করা হয়েছে ২১৪ কোটি টাকা!

একনজরে সিএজি রিপোর্টের অবিশ্বাস্য শুভঙ্করের ফাঁকি:

  • 💰 প্রকৃত দাপ্তরিক প্রাক্কলন: প্রায় ২৭ কোটি টাকা
  • 💸 পরিশোধিত বিলের পরিমাণ: ২১৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা (প্রায় ২১৪ কোটি)
  • ⚠️ স্রেফ পকেটস্থ হয়েছে: প্রায় ১৮৭ কোটি টাকা!
  • 🔍 দুর্নীতির অভিনব কৌশল: জেনারেটরের দাম ৮ গুণ বাড়িয়ে এসি-র দাম কাগজে-কলমে কমিয়ে মোট টেন্ডারের দর ঠিক রাখা হয়েছিল!

তদন্তে ধরা পড়া ঠিকাদারের চতুর ‘ম্যাজিক’

সিএজি কার্যালয়ের নিরীক্ষা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্ধারিত দরের চেয়ে অস্বাভাবিক বেশি মূল্যে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। চতুর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি এমনভাবে দরপত্র সাজিয়েছিল যাতে বাইরে থেকে অনভিজ্ঞ কারও ধরার সাধ্য ছিল না। তারা জেনারেটর ও সাবস্টেশনের দাম কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়ে, এয়ার কন্ডিশনার (এসি)-সহ অন্যান্য কিছু পণ্যের দাম সরকারি দরের চেয়ে অনেক কম দেখিয়েছিল। যার ফলে মোট দরপত্রের চূড়ান্ত মূল্য সরকারি হিসাবের মাত্র ০.০০২ শতাংশ কম দেখায়। এই চাতুর্যের কারণে সরকারের সরাসরি ১৮৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

সংবাদ সূত্র ও কৃতজ্ঞতা: দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক প্রথম আলো-তে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সংবাদটি সংকলিত।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।