![]()
বালিশ-কাণ্ডের পর এবার রূপপুরে ৮ গুণ দামের ধাক্কা! ২৭ কোটির জেনারেটর কেনা হলো ২১৪ কোটি টাকায়!
বালিশ ও ড্রেসিং টেবিল কেনার নামে অবিশ্বাস্য হরিলুটের রেশ কাটতে না কাটতেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে আরও এক চোখ কপালে তোলার মতো অনিয়মের তথ্য ফাঁস হয়েছে। এবার আবাসিক এলাকা ‘গ্রিন সিটি’র ১১টি ভবনের বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম ও জেনারেটর কেনাকাটায় বড় ধরনের দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয়। যে যন্ত্রপাতির প্রকৃত সরকারি দর ছিল মাত্র ২৭ কোটি টাকা, সেটির জন্য বিল পরিশোধ করা হয়েছে ২১৪ কোটি টাকা!
- 💰 প্রকৃত দাপ্তরিক প্রাক্কলন: প্রায় ২৭ কোটি টাকা
- 💸 পরিশোধিত বিলের পরিমাণ: ২১৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা (প্রায় ২১৪ কোটি)
- ⚠️ স্রেফ পকেটস্থ হয়েছে: প্রায় ১৮৭ কোটি টাকা!
- 🔍 দুর্নীতির অভিনব কৌশল: জেনারেটরের দাম ৮ গুণ বাড়িয়ে এসি-র দাম কাগজে-কলমে কমিয়ে মোট টেন্ডারের দর ঠিক রাখা হয়েছিল!
তদন্তে ধরা পড়া ঠিকাদারের চতুর ‘ম্যাজিক’
সিএজি কার্যালয়ের নিরীক্ষা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্ধারিত দরের চেয়ে অস্বাভাবিক বেশি মূল্যে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। চতুর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি এমনভাবে দরপত্র সাজিয়েছিল যাতে বাইরে থেকে অনভিজ্ঞ কারও ধরার সাধ্য ছিল না। তারা জেনারেটর ও সাবস্টেশনের দাম কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়ে, এয়ার কন্ডিশনার (এসি)-সহ অন্যান্য কিছু পণ্যের দাম সরকারি দরের চেয়ে অনেক কম দেখিয়েছিল। যার ফলে মোট দরপত্রের চূড়ান্ত মূল্য সরকারি হিসাবের মাত্র ০.০০২ শতাংশ কম দেখায়। এই চাতুর্যের কারণে সরকারের সরাসরি ১৮৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
